বদলাবে জীবন, দিনের শুরু করুন মন্ত্রপাঠ দিয়ে,আমূল পরিবর্তন এই সামান্য অভ্যাসেই - The News Express

Breaking

The News Express

A Bengali News and Entertainment Web-Channel (24x7) The power of information

Youtube


Sunday, November 22, 2020

বদলাবে জীবন, দিনের শুরু করুন মন্ত্রপাঠ দিয়ে,আমূল পরিবর্তন এই সামান্য অভ্যাসেই

টিএনই ডেস্ক :  প্রাচীন পন্থায় ফিরে যান। করলেন তো অনেক এক্সেসাইজ। এবার একটু মন্ত্র পাঠ করেই দেখুন না জীবনে পরিবর্তন আসে কিনা? যেমনটা একসময় মুনি-ঋষিরা করতেন। 

প্রত্যেকটা পুজোতে আমরা মন্ত্র চর্চা করেই থাকি। এই মন্ত্রের উৎপত্তি প্রাচীনকাল থেকেই, ভারতীয় সংস্কৃতিতে মন্ত্র চর্চা সংস্কৃতির প্রাণ। সকালে উঠে অনেকগুলো ভালো অভ্যাসের সাথে মন্ত্রোচ্চারণ অভ্যাসটা শুরু করুন । প্রাচীনকালের প্রত্যেকটা কথা, বাণী, উপাদান এমন কি ওষুধ ব্যবহার করলে সেটা যথেষ্ট কার্যকরী হয়। তবে এটি তো সামান্য মন্ত্রোচ্চারণ। 

সকালে উঠে যেমন ঋষিরা শুরু করতেন মন্ত্র এমনকি পরবর্তীতে তারা যে শিষ্য তৈরি করতেন তাঁরা ওই একই অভ্যেস করতেন । তাদের বিশ্বাস ছিল, যেমন স্মৃতিশক্তি বাড়ে তেমনি একাগ্রতা ও বাড়ে। তবে বিজ্ঞানের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে সে বিশ্বাসেও বাধা  পড়েছে।  সকলেই এখন অনেক ব্যস্ত, প্রত্যেকের জীবনে হাজারো কাজের ব্যস্ততা।

পূজোপার্বণ ছাড়া পাঁচালী, মন্ত্রপাঠ কেইবা করেন অনেকেই অভ্যাসগুলোকে অধুনা অপ্রচলিত বলে মনে করেন। মুনি-ঋষিরা করতেন ভগবানকে তুষ্ট করার জন্য। যে কারণে প্রতিদিন মন্ত্র পাঠ করলে জীবনে পরিবর্তন আসতে, মন থেকে যাবতীয় চিন্তা দূর হয়ে যেতেও বাধ্য । 

বর্তমানে অনেকেরই মনে হবে ধর্মীয় বিশ্বাস জাগানোর একটি প্রচেষ্টা। কিন্তু কখনোই নয় সুস্থ থাকতে অবশ্যই কিছু অভ্যাসের প্রয়োজন ডাক্তারি ভাষায় একই কথা বলা হয়। দীর্ঘদিন গৃহবন্দি, অফিসের কাজ, মেজাজ খিটখিটে, রাতের পর রাত ঘুম হয় না, অল্পতেই মাথা গরম, কাজে মনোযোগ না থাকা নানা রকম হাজারো সমস্যা আছে। আট থেকে আশি এই সমস্যায় জর্জরিত। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েছেন। সেখানে থেকেই জীবনে বেশ কিছু পরিবর্তন করলে জীবনটা সুন্দর হয়ে উঠতে পারে। 

তার মধ্যে একটি সকালে ঘুম থেকে ওঠা, কিছুটা সময় নিজের জন্য রাখা, এই  সময়টাতে যাবতীয় চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে। ভোরবেলা ওঠা দরকার এজন্য ভোরের আলো, পাখির ডাক এইসব দেখা ও‌ শোনা দরকার। এসব যথেষ্ট প্রভাব ফেলে আমাদের মনে। কোন মন্ত্র চালিয়ে দশ মিনিট বসে থাকুন ভিতর থেকে শান্তি পাবেন। কোন সমস্যা হলে ভিতর থেকে ওম বলুন। তাছাড়া যোগ ব্যায়াম করুন।মনসংযোগ বাড়বেই। 

কখনো প্রাণায়াম করতে পারেন। কিন্তু সবটা দিয়ে মন্ত্রোচ্চারণ করুন এবং সেটিই মনে মনে নয় উচ্চস্বরে। মন্ত্রের ধ্বনি স্নায়ুকে উজ্জীবিত করে । যে কারণে জিম বা হাসপাতালে সকালে মন্ত্র বাজানো হয়। মন্ত্র শুনলে একাগ্রতা‌ ও ধৈর্য বাড়ে। কোনটাই ধার্মিক রীতিনীতি নয়, স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী।

No comments:

Post a Comment