টিএনই ডেস্ক : করোনা এবং লকডাউন এই দুটি শব্দ সবার কাছে বড্ড যন্ত্রণাদায়ক। দীর্ঘ আট মাস ঘরবন্দি, যা কল্পনা করলেও মানুষ হাঁপিয়ে ওঠে। আজ সেই কাজ গোটা বিশ্বের মানুষ জন চালিয়ে যাচ্ছে।
কোন মানুষেরই ভালো লাগে না একই রুটিনের মধ্যে প্রত্যেকদিন চলতে। প্রত্যেক জনের জীবনে পরিবর্তন প্রয়োজন। কিন্তু এই লকডাউন এর চক্করে মানুষের কাজের শেষ নেই। করোনা না থাকাকালীন মানুষ বাড়ির বাইরে অফিসে কাজ করতো কিন্তু এখন দীর্ঘদিন করোনার কারণে বাড়িতে বসে কাজ শুরু হয়েছে আমাদের সবার কাছে জানা।
প্রত্যেকদিন সকালে উঠে ল্যাপটপের সামনে কাজ করতে বসে পড়া, কখন শেষ হবে তারও কোনো হিসাব থাকে না। সকলেই অভ্যস্ত কিন্তু সাথে সাথে কাজের চাপও বেড়েছে দ্বিগুণ পরিমাণে।
করোনা কে বাদ দিলেও কাজের চাপে মানুষকে আরো ঘর বন্দী হয়ে থাকতে হচ্ছে। একটানা কাজ করতে মানুষের একটা ক্লান্তির উদ্ভব ঘটেছে। কোথাও বেরোনোর নেই, বাড়িতে বন্দি, এমন কি দেখা হচ্ছে না বাকিদের কারো সঙ্গে, সব মিলিয়ে মেজাজ বিগড়ে যাবেই,তাই কাজ করতে গিয়ে মেজাজ চটছে । প্রত্যেকটা মানুষই একটা বদমেজাজি হয়ে উঠবে।
আমরা যে সময়ের মধ্যে দিয়ে বেরোচ্ছি কমবেশি অনেক মানুষেরই মানসিক পরিবর্তন এসেছে। তাই নিজেকে ঠিক রাখার জন্য মিউজিক থেরাপি ব্যবহারের কথা বলছেন। সারাদিন গানের মাধ্যমেই কাটাতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। আপনি নিজের কাজ নিজে করুন কিন্তু সাথে রাখুন হালকা মিউজিক। গান শুনলে মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায় এতে মনে শান্তি আসে।
তাছাড়াও গানের সাথে আমাদের অনেক নিবিড় সম্পর্ক গান শুনতে শুনতে আমাদের অনেক পুরনো স্মৃতিচারণ হয়। অনেক সময়ই অন্য মনস্ক হয়ে আলাদা কিছু ভাবতে শুরু করি। সবমিলিয়ে গান একটা সুন্দর মধুর থেরাপি। যা মানুষকে শান্ত করার কাজে আসে। তাছাড়াও ডাক্তাররাও বলেন যাদের উচ্চ রক্তচাপ তাদের গান শুনতে। এমনকি অনেকে জানেন না মাঠে খেলতে নামার আগে স্নায়ুর চাপ নিয়ন্ত্রণে ভারতীয় খেলোয়াড়রা পছন্দের গান শুনেন।
শুধু তাই নয় পূজা-পার্বণে আমরা নানা রকমের ধ্বনি শুনতে পায় যেখানে আমাদের ব্রেনে খুব ভালো প্রভাব পড়ে। তাই বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যারা অতীব কাজের চাপে ভুগছেন একটা বাদ্যযন্ত্র চালিয়ে গান শুনুন। পারলে আলো নিভিয়ে হালকা আলো জ্বালিয়ে হালকা সুরের মিউজিক শুনুন মনটা শান্ত হবে সাথে কমে যাবে অনেক মানসিক যন্ত্রণা ।
No comments:
Post a Comment