টিএনই ডেস্ক : শুধু করোনাই নয় করোনা থেকে বাঁচতে বাড়িতে বসেই সৃষ্টি হচ্ছে রোগের। দীর্ঘ লকডাউন এর জেরে মানুষের ভিতরে বাসা বেধেছে অনেক রোগ। করোনা যাক বা না যাক নতুন রোগের আবিষ্কার প্রচুর ঘটেছে। বর্তমানে ওবেসিটি বা অতি স্থূলতা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, এর কারণে নানা রোগ বাসা বাঁধছে শরীরে।
ওবেসিটি হলো শরীরের এক বিশেষ অবস্থা বাংলায় যাকে বলে অতিস্থূলতা। শরীরে অতিরিক্ত মেদ বা চর্বি জাতীয় পদার্থ জমা হলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয় এমনকি এতে আরো শরীরে প্রভাব পরে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্বে স্থূলতাই মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত। পটসডাম ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট ইম্প্যাক্ট রিসার্চ এবং তার তরফ এ সমীক্ষার প্রধান গবেষক সমীক্ষা পত্র এমনটাই জানা গিয়েছে। সমীক্ষার প্রধান গবেষক সমীক্ষা পত্রের লেখক বেঞ্জামিন বডার্স্কি সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, ২০৫০ সালের মধ্যে পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষের ওজন অস্বাভাবিক রকম বেড়ে যাবে ঘরে ঘরে দেখা যাবে ওবেসিটি পৃথিবীর জনসংখ্যার আনুমানিক হিসেবে ওবেসিটি মানুষের সংখ্যা হবে ১.৫ বিলিয়ন।
এই অভ্যাসের পরিবর্তন করতে হবে। সবার মাথায় রাখা উচিত করোনার সাথে সাথে যেন আরো দশটা রোগ না প্রবেশ করে। তার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত কিছু অভ্যাসের। নিজের সাইন্টিফিক রিপোর্টে প্রকাশিত সমীক্ষা পত্রের জানা যায়,১৯৬৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বদলে যেতে থাকা খাদ্য অভ্যাস এর জন্য দায়ী। ক্রমশ বৃদ্ধি শস্যভিত্তি খাবার প্রাণিজ উপাদান। আর এই উপাদানের উপর বেশিরভাগ মানুষ আজ আকৃষ্ট।
খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে এরপর কিছু হালকা খাবার। ফ্যাট জাতীয় খাবার কে বর্জন করার অভ্যাস করতে হবে। এই খাবারের ফলে বেড়ে যাচ্ছে প্রোটিনের মাত্রা ও কোলেস্ট্রল। যা সৃষ্টি করছে সবার শরীরে মেদ । তাই সুস্থভাবে বাঁচতে হবে নিজেকেও বাঁচাতে হবে বিশ্ব কেও।
এইকয়েক বছরের মধ্যে মাঝ বয়সীরাই বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছে। শরীরের ওজন নয়,বডি মাস্ক ইনডেক্স এর উপর বেশি নির্ভরশীল ওবেসিটি। আরো জানান, সারা বিশ্বে ফলন কম হলে মানুষ খাবেই বা কি? তাহলে তো অন্য উপাদানের উপর নির্ভর করতে হবে। ওবেসিটি ভবিষ্যতে বিরাট ভয়ংকর আকার ধারণ করবে।
No comments:
Post a Comment