টিএনই ডেস্ক : শিক্ষার চাহিদা কমেছে যারা বলে তারা খুবই বোকা বোকা কথা বলে। বরঞ্চ বেড়েছে আরও দ্বিগুনভাবে। এখন শিক্ষা শুধু বিদ্যালয় এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় প্রত্যেক শিক্ষার্থী চাই উচ্চশিক্ষা নিতে। তাইতো উচ্চশিক্ষার জন্য অনেক সুযোগ সুবিধাও হাতের মুঠোয়।
অনেক ক্ষেত্রে মেধাবী সন্তানদের স্বপ্নপূরণে মধ্যবিত্ত পরিবারের অভিভাবকদের কাছে লোন নেওয়া ছাড়া অন্য কোন পথ খোলা থাকেনা। কিন্তু আমাদের দেশে আছে কি কোন এডুকেশন লোন? অবশ্যই আছে কিন্তু সেগুলো ধরাছোঁয়ার বাইরে। এডুকেশন লোন এর ক্ষেত্রে ১২% থেকে১৬% পর্যন্ত সুদ দিতে হতো একসময় কিন্তু এখন কমে তা অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে। অধিকাংশ ব্যাংক কম সুদে এডুকেশন লোন দিচ্ছে।
যেকোনো মুহূর্তে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো এডুকেশন লোনের ব্যবস্থা করে দিতে পারে। উল্লেখযোগ্যভাবে এডুকেশন লোন এর সর্বনিম্ন সুদের নিরিখে একবারে বেসরকারী বা বিদেশী ব্যাংকের সংখ্যা চোখে পড়ার মতো কম প্রথম দশটি ব্যাংকের মধ্যে মাত্র একটি বেসরকারি ব্যাংক তালিকায় স্থান পেয়েছে। তা হল আইডিবিআই ব্যাঙ্ক, এ ছাড়া ৯টি ব্যাংক রাষ্ট্রায়ত্ত।
আবার অনেক রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কগুলির মধ্যেও এডুকেশন লোন সুদের হার যথেষ্ট পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। দেশের বৃহত্তম ব্যাংক হলেও সবথেকে কম সুদের নিরিখে এসবিআই আছে তৃতীয় স্থানে, এই মুহূর্তে ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এডুকেশন এর সর্বনিম্ন ৭ বছরের মেয়াদে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত শিক্ষার হার ৬.৪% ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী বলা যায়, তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে তিনটি ব্যাংক সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং ব্যাঙ্ক অফ বরোদা ইউনিয়ন ব্যাংকের তুলনায় বেসিস পয়েন্ট বেশি সুদ নিচ্ছে তারা অর্থাৎ দ্বিতীয় স্থানে থাকা ৩নং ব্যাংকের এডুকেশনের ন্যূনতম সুদের হার ৬.৮৫%।
সর্বশেষ এডুকেশন লোন এর সর্বনিম্ন সুদের হারের নিরিখে তালিকার তৃতীয় স্থানে যুক্তভাবে আছে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক এবং ভারতীয় স্টেট ব্যাংক। এখানে বার্ষিক সুদের হার ৬.৯%। এই এডুকেশন লোনের নিরিখে তালিকায় আরও অনেক ব্যাংক আছে । আলাদা আলাদা ব্যাংক অনুযায়ী আলাদা সুদের হার ধার্য্য করা আছে।
ব্যাংকের সুদের হার যেখানে এতটা হ্রাস পেয়েছে সেখানে উচ্চশিক্ষার জন্য এগোতে পিছপা না হওয়া উচিত। শিক্ষার অগ্রগতিতে যখন সবকিছুই সুবিধাজনক হচ্ছে সেখানে শিক্ষা আটকে থাকা একদমই উচিত নয়।
No comments:
Post a Comment