আইফেল টাওয়ারে ব্যবহৃত সিঁড়ির মালিক হতে পারেন আপনিও
টিএনই ডেস্ক : প্যারিসের আকাশে তাকালে যে জিনিসটা দিনে বা রাতে নজরে আসে, তা হল আইফেল টাওয়ার। প্যারিস মানেই তাই আইফেল টাওয়ার। আইফেল টাওয়ার নিয়ে নানা রকম আশ্চর্য তথ্য আছে। তবে সেগুলো বেশ পুরাতনই বলা যায়।
প্রতিবছর ৩০ মিলিয়ন মানুষ প্যারিসে আইফেল টাওয়ারে যান এবং সাত লাখ দর্শক এই স্মৃতিস্তম্ভে আরোহণ করে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে আইকন টেমপ্লেটগুলির মধ্যে একটি।
প্যারিসের বুকে একটু একটু করে মাথা তুলে দাঁড়ায় ফ্রান্সের গর্ব এই লৌহনির্মিত টাওয়ার। ১৮৮৭ সালে শুরু হয় এর নির্মাণ কাজ, ৩০০ শ্রমিক অংশ নেয় সেই নির্মাণ যজ্ঞে। গুস্তাভো আইফেল নির্মিত ৩২০ মিটার তথা ১০৫০ ফুট উচ্চতার এই টাওয়ারটি টানা ৪০ বছর ছিল পৃথিবীর সবচাইতে উঁচু টাওয়ার। চলুন, দেখে নিই কিছু অসাধারণ ছবি, যেগুলো আপনাকে একটা ধারণা দেবে যে কীভাবে প্যারিসের বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল এই নয়নাভিরাম স্থাপত্য।
করোনা দূর হলে ফের আরও একবার ভিড় বাড়বে আইফেল টাওয়ারে। এর মধ্যেই কেউ চাইলে কিনতে পারবেন আইফেল টাওয়ারের একটি অংশ। শুনতে অবাক লাগলেও আগামী ১ ডিসেম্বর নিলামে উঠতে চলছে পুরনো দিনে আইফেল টাওয়ারে ব্যবহৃত একটি সিঁড়ির একাংশ। যা নিয়ে ইতিমধ্যে নেটদুনিয়ায় আলোচনাও শুরু হয়ে গিয়েছে।
আর্টকুরিয়াল নামে একটি সংস্থা আইফেল টাওয়ারের ওই সিঁড়ির অংশটি নিলামে তুলছে। ১৮৮৯ সালে যখন ফরাসী ডিজাইনার গুস্তভ ইফেলের নকশায়টাওয়ারটি নির্মিত হয়, তখন লিফট ছিল না, ছিল লোহার সিঁড়ি৷ ১৯৮৩ সালে পর্যটকদের সুবিধার জন্য লিফট চালু হলে ঐতিহ্যবাহী এই সিঁড়ির বেশ কয়েকটি অংশ কেটে ফেলা হয়৷ বর্তমানে এই সিঁড়ির অংশ রয়েছে ফ্লোরিডার ‘ডিজনিল্যান্ড', নিউ ইয়র্কের ‘স্ট্যাচু অফ লিবার্টি'র পাশে ও জাপানের ইওইশি ফাউন্ডেশনের বাগানে৷২.৬ মিটারের পুরনো আমলের প্যাঁচানো সিঁড়িটি ১৮৮৯ সালে তৈরি করেছিলেন গুস্তাভে আইফেল এবং তাঁর সহযোগীরা। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তলার সংযোগের জন্য এটি তৈরি করা হয়েছিল।

No comments:
Post a Comment