এদিন সারা রাজ্য জুড়ে নানান জেলায় জেলায় আদিবাসী সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদের নানান দাবি দাওয়া ও পড়াশুনার সুযোগ সুবিধার দাবি নিয়ে রাস্তায় নামেন। সেরকমই কিছু চিত্র বীরভূমে দেখা গেল। আদিবাসী সম্প্রদায়ের জানায়, তাদের সাঁওতালি ভাষার সার্টিফিকেট নকল করে অনেক মানুষ চাকরি করছে।
গত ৫ই সেপ্টেম্বর আমরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে আমাদের সাঁওতালি এডুকেশন বোর্ড গঠনের দাবিতে প্রস্তাব দিয়েছিলাম। পশ্চিমবঙ্গে এখন বাংলা ভাষার পরেই বৃহত্তম ভাষা হলো সাঁওতালি। গত ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঝাড়গ্রাম, বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও বিভিন্ন জেলায় মোট ১২০০ ছাত্র-ছাত্রী মাধ্যমিকে ভালো নাম্বার পেয়েছে এবং তারা একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি ও হয়েছে। সাঁওতালি সম্প্রদায়ের প্রশ্ন এখন একটাই, ছাত্র-ছাত্রীরা এতো ভালো ফল করেছে মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং তারা পরবর্তীকালে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হতে চায়। কিন্তু এই সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা। কারন কোনো রকম অলচিকি ভাষার ঠিকমতো পরিকাঠামো নেই, নেই কোনো সাঁওতালি এডুকেশন বোর্ড, নেই পর্যাপ্ত পরিমাণে শিক্ষক-শিক্ষিকা। এই সকল দাবি দাওয়া নিয়ে জেলার বিভিন্ন জাতীয় সড়ক পথ, রেল পথ অবরোধে নামে আদিবাসী সম্প্রদায়। এদিন সকাল ৯ থেকে পথ অবরোধ শুরু হয়েছে, অনির্দিষ্টকালের জন্য এই অবরোধ চলবে।
চিত্রগ্রহনে- সৌগত মন্ডল
গত ৫ই সেপ্টেম্বর আমরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে আমাদের সাঁওতালি এডুকেশন বোর্ড গঠনের দাবিতে প্রস্তাব দিয়েছিলাম। পশ্চিমবঙ্গে এখন বাংলা ভাষার পরেই বৃহত্তম ভাষা হলো সাঁওতালি। গত ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঝাড়গ্রাম, বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও বিভিন্ন জেলায় মোট ১২০০ ছাত্র-ছাত্রী মাধ্যমিকে ভালো নাম্বার পেয়েছে এবং তারা একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি ও হয়েছে। সাঁওতালি সম্প্রদায়ের প্রশ্ন এখন একটাই, ছাত্র-ছাত্রীরা এতো ভালো ফল করেছে মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং তারা পরবর্তীকালে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হতে চায়। কিন্তু এই সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তারা। কারন কোনো রকম অলচিকি ভাষার ঠিকমতো পরিকাঠামো নেই, নেই কোনো সাঁওতালি এডুকেশন বোর্ড, নেই পর্যাপ্ত পরিমাণে শিক্ষক-শিক্ষিকা। এই সকল দাবি দাওয়া নিয়ে জেলার বিভিন্ন জাতীয় সড়ক পথ, রেল পথ অবরোধে নামে আদিবাসী সম্প্রদায়। এদিন সকাল ৯ থেকে পথ অবরোধ শুরু হয়েছে, অনির্দিষ্টকালের জন্য এই অবরোধ চলবে।


No comments:
Post a Comment