চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ উঠল সিউড়ি হাসপাতালে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে, গত এগারো তারিখ বীরভূমের মহম্মদবাজারে কাইজুলি গ্রামের বাসিন্দা অম্বর সাহা তার স্ত্রী পিঙ্কি সাহার প্রসব যন্ত্রণা ওঠায় প্রথমে তাকে প্যাটেলনগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভরতি করে। তারপর সন্তান প্রসব হলে পিঙ্কির শরীর থেকে চরম রক্ত বের হতে থাকে। সেইখানকার ডাক্তার বাবুরা অবস্থা খুব খারাপ দেখে পিঙ্কি কে সিউড়ি জেলা হাসপাতালে রেফার করে দেয় ও পিঙ্কি কে সিউড়ি হাসপাতাল ভর্তি করে নেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
অম্বর বাবুর স্ত্রী পিঙ্কিদেবীর অভিযোগ, "আমার শরীর ঠিক ছিলো কিন্তু যখন আমাদের মা ও ছেলেকে যখন হাসপাতাল থেকে ছুটি দিয়ে দেয় তখন আমরা বাড়ি চলে যায় । বাড়ি গিয়ে দেখি আমার সন্তানের হাত ও পা নীল হয়ে গেছে। তখন তড়িঘড়ি সিউড়ি জেলা হাসপাতালে এলে চিকিৎসকরা আমার সন্তানকে মৃত বলে ঘোষণা করেন"
পিঙ্কি সাহার স্বামী অম্বর সাহার অভিযোগ, "আমার স্ত্রীর শরীর ঠিক থাকলেও আমার সন্তানের জ্বর আসে। তখন সিউড়ি হাসপাতালের ডাক্তার বাবু তাকে দেখে কিছু ঔষধ পত্র লিখে ছুটি দিয়ে দেয়"। ঘরে গিয়ে দেখি আমার সন্তানের হাত ও পা নীল হয়ে গেছে তখন আমরা দুজনে তড়িঘড়ি হাসপাতালে আসি ও সন্তানকে সিউড়ি জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকদেল কাছে নিয়ে গেলে সন্তানটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কিন্তু
ফের হাসপাতালে যখন নিয়ে আসি তখন আমাদের জানানো হয় দুই ঘণ্টা আগেই মৃত্যু হয়েছে শিশুটির। অথচ সেই সময় আমরা হাসপাতালে উপস্থিত ছিলাম। আমার সন্তানের হাসপাতালে থাকাকালীন মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃত সন্তানের পরিবারের সদস্যরা।
তথ্যচিত্র-সৌগত মন্ডল
No comments:
Post a Comment