গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হলো বীরভূমের সাঁইথিয়া থানার দেরপুর গ্রামে। মৃতার নাম রূপালি দাস।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে, রামপুরহাটের গুই পাড়া এলাকার বাসিন্দা রূপালি দাসের সাথে তিন বছর আগে বিবাহ হয় সাঁইথিয়া থানার দেরপুর গ্রামের বাসিন্দা তুষারকান্তি দাসের সাথে।
অভিযোগ, গতকাল রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় রূপালির। কোনো প্রতিবেশীর ফোন থেকে এই খবর জানতে পারেন রূপালির বাপের বাড়ির লোকজন।
ঘটনা পেয়ে রূপালির বাপের বাড়ি লোকজন জামাইয়ের বাড়ি এসে তারা ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
মেয়ের বাড়ি তরফ থেকে মেয়ের বাবা জানিয়েছেন যে, "আমার জামাইয়ের একটা ঘর এসেছিলো প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনার তরফ থেকে। সেই জন্য আমার মেয়েকে আমার বাড়ি থেকে পনেরো হাজারটাকা আনতে বলে আমার মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন। সামনে পূজো তাই সেই টাকা না দিতে পারায় আমার মেয়েকে ওরা পণের দাবিতে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে। আমি ওদের কঠরতম শাস্তি চাই।"
যদিও এই বিষয়ে ছেলের বাড়ি তরফ থেকে কিছু জানা যায়নি। কিন্তু প্রশ্ন হল যে, তিনমাস আগেই বিয়ে হলো রূপালি ও তুষারের এই মধ্যেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেল রূপালি। কিন্তু কেন? নাকি পণের টাকা দিতে না পারার জন্যই কী খুন করলো রূপালি কে? না এর পিছনে রয়েছে অন্য কোন চক্রান্ত? সমস্ত বিষয়টি তদন্তে নেমেছেন পুলিশ। ইতিমধ্যেই রূপালির স্বামী তুষারকান্তি দাস ও তার মা ও বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তথ্যচিত্র-সৌগত মন্ডল
No comments:
Post a Comment