বারবার আন্দোলন করা সত্ত্বেও বন্ধ হলো না মদের ঠেক - The News Express

Breaking

The News Express

A Bengali News and Entertainment Web-Channel (24x7) The power of information

Youtube


Monday, October 1, 2018

বারবার আন্দোলন করা সত্ত্বেও বন্ধ হলো না মদের ঠেক

আবার সেই বীরভূম জেলার রামপুরহাট থানার অন্তর্গত ,কাষ্ঠগড়া পঞ্চায়েতের অধীনে তিনটি গ্রাম ১) রানীপুর ২) লালবাজার ৩) ভালকো পাহাড়ি গত ইংরেজি ১৯-০৯-২০১৮ তারিখ বৃহস্পতিবার এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা সকলে মিলে প্রথমে কাষ্ঠগড়া পঞ্চায়েত অফিসে প্রধানের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জানান। কিন্তু তার কোন ফলাফল না মেলায় আজ সোমবার ইংরেজি ০১-১০-২০১৮ তারিখ আবার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা একত্রিত হয়ে পঞ্চায়েত অফিসে এসে অভিযোগ জানান। বর্তমান প্রধান মনিমালা ঘোষ জানান আমি ওনাদের দরখাস্ত রামপুরহাট থানা তে পাঠিয়েছি, পুলিশ যদি কোন ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আমাদের কোন কিছু করার নেই ।

কিন্তু সকলের কাছে একটাই প্রশ্ন পুলিশ বা আবগারি দফতর নীরব কেন ? কেন পুলিশ বা আফগারি দফতর এই অবৈধ মদের ঠেক চালাতে দিচ্ছে কেন? তাহলে কি পুলিশ বা আফগারির মদদেই চলছে এই মদের ঠেক। আদিবাসী স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা যখন এত আন্দোলন করছে পঞ্চায়েত  পুলিশ আবগারি দপ্তর কেন তাদেরকে সহযোগিতা করছে না আজকেও আবার লালবাজার ও ভালকো পাহাড়ির স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা একত্রিত হয়ে রানীপুর গ্রামের সমস্ত মদের ঠেক বন্ধ করার চেষ্টা করেন। কিছু কিছু মদের ঠেক বন্ধ হয়ে গেলেও কিছু মদের ঠেক বন্ধ করতে তাঁদের খুব কষ্টের মুখে পড়তে হয়  যেমন  গোকুল মোদি  বসুমতি মোদি  ছবি মোদি রাধিকা মোদি  এদের ঠেক বন্ধ করতে ঝামেলার মুখে পড়তে হয় তাদের।

এরা সকলে এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের হুমকি দিয়ে বলেন  যে আমরা মদের ঠেক বন্ধ করব না। তোরা কি করতে  পারিস সেটাই দেখার আছে । আর যদি তোদের ছেলেরা বা স্বামীরা কোনদিন মদ খেতে আসে তাহলে সেই মদে বিষ দিয়ে মেরে দেব। এমনকি রাসমণি সরেন নামে এক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর  মহিলার বাড়িতে হামলা চালায় বলে জানা গেছে।  রাসমণি সরেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের সাথে সঙ্গ দেওয়াই তার স্বামী দিলীপ সরেন তার উপর অত্যাচার শুরু করেছে। তার বক্তব্য যদি রাসমণি ওদের সঙ্গ না দিত তাহলে তারা আমাদের টিভি ভাঙতো না  বা বাড়িতে অত্যাচার করত না। আমাদের ছোট ছোট ছেলে আছে আমাদের খুব ভয় করছে বলে জানান।

কাষ্টগড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান  মনিমালা ঘোষ জানিয়েছিলেন  আমি  এই মদের ঠেক বন্ধ করার চেষ্টা করব। না পারলে পুলিশের সহযোগিতা নেব কিন্তু কোথায় আজও সেই মদের ঠেক চলছে রমরমিয়ে চলছে বন্ধ করা তো দূরে থাক তাদের ধারে কাছে যাবার মতো ক্ষমতা হয়নি  বলে অভিযোগ করেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা। আরো বলেন যদি এই বেআইনি মদের ঠেক বন্ধ করতে না পারে পঞ্চায়েত বা প্রশাসন তাহলে আমরা আগামী দিনে পথ অবরোধ করতে বাধ্য হব।

তথ্যচিত্র:- সৌগত মন্ডল

No comments:

Post a Comment