১৫ দিনের মাথায় ভাঙলো ঢালাই রাস্তা,অবরোধে বসলেন স্থানীয় বাসিন্দারা,অভিযোগ বিজেপির
টিএনই ডেস্ক, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পথশ্রী অভিযানের আওতায় মালদা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মহানন্দ পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মল্লিকপাড়া কালভার্ট থেকে মল্লিকপাড়া কবরস্থানের অভিমুখে রাস্তা পুনঃ নির্মাণ এবং ঢালাইয়ের কাজ করা হয়েছিল।
ভোটের আগে কাজ চলছে অনেক জায়গায়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সুবিধা অনুযায়ী নির্মাণ করা হয়েছে রাস্তা। কিন্তু কাজ ঠিকঠাক করা কি হচ্ছে? যদি ঠিকমতো কাজ করা হয়ে থাকে তাহলে কেন ১৫ দিনের মাথায় ভেঙে পড়ল রাস্তা?
এই রাস্তা নির্মাণের জন্য বরাদ্দ করা হয় ৯ লক্ষ টাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, এতটাই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে হয়েছে রাস্তার কাজ তাই ১৫ দিনের মাথায় ভেঙে গিয়েছে ঢালাই। সরকার থেকে প্রত্যেকটা অঞ্চলের জন্য যথেষ্ট টাকা দেওয়া হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রেও রাস্তা নির্মাণের জন্য ৯ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল।
তবে এত টাকা বরাদ্দ করা সত্ত্বেও কেনই বা কম সামগ্রী দিয়ে তৈরি করা করা হল রাস্তা। রাস্তা নির্মান একটা বড়সড় কার্য। দৈনন্দিন বাস গাড়ি সবকিছু এই রাস্তার উপর দিয়ে চলে সেই রাস্তা দুর্বল হলে কি হবে?
ক্ষোভে ফেটে পড়ছে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের একটাই প্রশ্ন এত টাকা বরাদ্দ করা সত্ত্বেও এত কম সামগ্রী কেন? এমনকি হতে পারত বড়সড় দুর্ঘটনাও। আর এই ঘটনা নিয়ে বিজেপি তৃণমূল চাপান উত্তরে তত্ত্ব চাচোল এর রাজনৈতিক পরিমণ্ডল। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে কাটমানি নিয়ে জেলা পরিষদের রাস্তা তৈরির অভিযোগ বিজেপির। তৃণমূলের দাবি কাঁচা রাস্তায় গাড়ি যাওয়ার কারণেই রাস্তা ভেঙে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ রাস্তা নির্মাণে দুর্নীতি হয়েছে দাবি উঠেছে। রাস্তা ঠিক করে দেওয়ার দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আরও বড় আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন তারা। কাটমানির অভিযোগ তুলে বিজেপি নেতা অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, জেলাজুড়ে একই চিত্র প্রত্যেকটা সরকারি কাজ নিয়ে লাগামছাড়া দুর্নীতি হচ্ছে। ঠিকাদারদের ঘুষ দিয়ে কাজ নিতে হচ্ছে ফলে তারাও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করছেন রাজ্য সরকার চলছে।
তার প্রত্যুত্তরে তৃণমূলের মালদহ জেলার মুখপাত্র শুভময় বসু বলেন, তিনি যতদূর খোঁজ পেয়েছেন কাঁচা অবস্থায় রাস্তাতে গাড়ি যাওয়ার জন্য ঢালাই ভেঙেছে তাও তিনি জেলা পরিষদকে জানিয়েছে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। যে ঠিকাদার কাজ করেছে তাকে ব্ল্যাকলিস্ট করে জবাবদিহি করার কথা তিনি বলেছেন।

No comments:
Post a Comment