ইনস্টাগ্রাম টুইটার ফেসবুক থেকে সরানো হল ট্রাম্পের একাউন্ট, ওয়াশিংটনের জরুরি অবস্থা ১৫ দিনের
টিএনই ডেস্কঃ ট্রাম্পকে নিয়ে চলছে বেশ কয়েকদিন ধরে ওয়াশিংটনে উত্তাল পাতাল। তিনি বলেছেন অনেক কটুক্তি। ট্রাম্পকে নিয়ে সরব হচ্ছেন তারই দেশবাসীরা।
ওয়াশিংটন ইতিমধ্যে জরুরি অবস্থা জারি হয়ে গেছে। এই অবস্থায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করলো ফেসবুক' টুইটার' প্লাটফর্ম থেকে। তার একাউন্ট সরিয়ে দেওয়া হয়েছে আগামী ২৪ ঘণ্টায় ফেসবুকে পোস্ট করতে পারবেন না। টুইট্যারে একাউন্ট সরানো হয়ে গেছে। তবে তা সাময়িক নাকি চিরতরে তা পরিষ্কারভাবে জানা যায়নি।
রাম কে নিয়ে সবাই এত সলব কেনইবা হচ্ছে আসল কারণটা কি ভোটের কারচুপি নিয়ে নাকি এর ভীতর আরো আলাদা ব্যাপার আছে। শুধু তাই নয় সোশ্যাল মিডিয়াতে কেউ তার অ্যাকাউন্ট সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিরোধীরা জানাচ্ছেন, ভোট কারচুপির অভিযোগে এই মাধ্যমগুলোতে দিনের-পর-দিন প্রমাণ ছাড়াই নানা মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। সেখান থেকে ছড়িয়েছে এই ঝামেলা। শেষমেষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেসবুক এবং টুইটার।
ফেসবুকের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, এটি জরুরি অবস্থা তাই আপাতকালীন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলাম আমরা। আমরা মনে করছি এর ফলে পরিস্থিতি শান্ত হতেও পারে। আরও বড় অশান্তি সম্ভাবনা কমবে। ফেসবুকের এই সিদ্ধান্তে অবশ্য খুশি হননি বহু মার্কিন গণতন্ত্রপ্রেমী। তাদের কথা এটি অনেক দেরি করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত। প্রতিক্রিয়া হিসেবে খুবই সামান্য একটি ব্যাপার।
মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের ভাগ্যে জুটেছে শুধু মাত্র ২৩২ টি ভোট। বাইডেন ভোট পেয়েছে ৩০৬টি ভোট। অথচ যেদিন ভোট গণনা এবং নির্বাচনী ফলাফল সামনে এসেছে ট্রাম্প কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। একাধিক মামলা করে বিদায় প্রেসিডেন্ট খুব একটা কিছু করতে পারেনি এরপর বুধবার একটি জনসভায় ট্রাম্প জোর গলায় বলেন, আমি পিছু হটবো না।
এর পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম গুলি জানান, এরপর রাস্তায় নেমে পড়ে ট্রাম সর্মথকরা। পরে অবশ্য তাদের শান্ত হওয়ার কথা বলেন টুইটারে নিজেই। ছোট ভিডিও শেয়ার করে তিনি লিখেন, গো হোম। ভক্তরা তার কথা কেউ শুনেনি কিছুতেই আটকানো যায় নি তাদের। ক্যাপিটেল বিল্ডিং আক্রমণের পর পরিস্থিতি সামলাতে লেগে গেছিলো প্রায় ৪ ঘন্টা সময়।

No comments:
Post a Comment