"ও বিজেপি করে,ওকে গাঁজার কেসে ধরিয়ে দে। তোরা কি ওকে সামলাতে পারবি? যদি না পারিস তাহলে হলে ওকে অ্যারেস্ট করিয়ে দে। বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আজ বোলপুরে তৃণমূলের জেলা কমিটির দলীয় বৈঠকে কর্মীদেরএমনই এক হুঁশিয়ারি দিলো বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তিনি আজ বোলপুরে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ে দলীয় বৈঠক করেন। ওনার সঙ্গে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ছাড়াও আরও দলীয় মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।
এই দলীয় বৈঠকে বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল আউসগ্রামের বিধায়ক রকেট অর্থাৎ অভেদানন্দ থান্ডারকে বলেন, "ফাইভ ম্যান কমিটি থেকে যে ছেলেটিকে বাদ দিলাম না, ওকে অ্যারেস্ট করিয়ে দে। মোটা করে মেয়েটার কী নাম। ওকে অ্যারেস্ট করিয়ে দে। গাঁজা কেসে ধরিয়ে দে।
তুই কী ওকে তোর নিজের আয়ত্তে আনতে পারবি? না হলে অ্যারেস্ট করিয়ে দেব কিন্তু। আয়ত্তে আনতে পারবি? হ্যাঁ কি না বল?"
কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে? বীরভূম জেলা সভাপতি কাকে অ্যারেস্ট করার কথা বলছেন?
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে, কয়েকদিন আগে বর্ধমান জেলার আউশগ্রামে দলের পর্যবেক্ষণের জন্য তৈরি ফাইভ ম্যান কমিটি থেকে উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় নামে এক তৃণমূল কর্মীর নাম বাতিল করা হয়। এলাকায় এখন সে তৃণমূলকর্মী হিসাবে পরিচিত নন। তাকেই অ্যারেস্ট করিয়ে দেওয়ার কথা বলছেন বীরভূম জেলা সভাপতি।
এই বৈঠকে বীরভূম জেলা সভাপতি স্পষ্ট জানান যে, "এই এক বছরের মধ্যে কোনও প্রধান, উপপ্রধান যদি কোনোরকম দুর্নীতি গ্রস্ত কাজ করে তাহলে দলের রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়ে তাকে বাদ দেওয়া হবে"।
তথ্যচিত্র -সৌগত মন্ডল
No comments:
Post a Comment