তাদের কথাও ভাবুন, যারা আপনার পাশে সর্বদা রয়েছে
শ্রেয়া সাহা, বারাসাত; করোনার ত্রাসে গোটা বিশ্ব। নেই ভ্যাকসিন। হাসপাতালে পর্যাপ্ত বেড নেই। সংক্রমণ রুখতে তৎপর সকলেই।
এরই মধ্যে যারা সংক্রমণের পরোয়া না করে মানুষের স্বার্থে মানুষকে ভালো রাখছে, তাদের মধ্যে অন্যতম তারাই যারা জরুরি পরিষেবার সাথে জড়িত।
দেশে মহামারী হোক বা যুদ্ধ, তারা সর্বদাই নিজেদের দায়িত্বে অবিচল। পরিবারের জন্য দুঃখ করা যাদের কাছে মানা, ভয় যারা একমুহূর্তের জন্য পায় না, দেশের দুর্দিনে যারা সবার আগে দেশ কে আগলে রাখে, বাচ্চা দের ভাষায় যারা 'Superman'। আর তাদের মধ্যে অন্যতম 'পুলিশ প্রশাসন'।
"কোনো কারন ছাড়াই পিটিয়ে দিল", "কথা শুনলে তো", "বার বার কেস দিচ্ছে", "আরে স্যার! বাসে ভীড় কই", "গরীব দের কেস তো, তাই অবহেলা"
সাধারণ মানুষের তবুও কতই না অভিযোগ তাঁদের বিরুদ্ধে।
বেশির ভাগ সময় থেমে থাকেনি সাধারণ মানুষের অভিযোগ, খারাপ আচরন থেকে উল্টে পুলিশকেই পিটিয়ে দিচ্ছে তারা, যার প্রমাণও প্রচুর। তা বললেও হয়তো শেষ হবে না।
বারাসাত এর পুলিশ প্রশাসন কথা দিয়েছিল, এই লকডাউনে কোনো মানুষ অভুক্ত থাকবে না। নড়চড় হয়নি সে কথার। দ্বিতীয় দফার লকডাউনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর চলছে তৃতীয় দফার লকডাউন। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি মিথ্যা হয় নি।
শুধু তাই নয়, সম্প্রতি বিশ্ব নার্স দিবসেও তাঁরা ভোলেন নি নার্স দের সম্মান জানাতে।
শুধু কী এখানেই শেষ মনে হয়? না একদম নয়। মাতৃ দিবস, শুনেছেন নিশ্চয়ই দিনটির নাম। প্রতিদিন আমরা মায়ের খেয়াল না নিলেও, ওই দিনটি কিন্তু আমরা মিস করি না। ট্রেন্ড বজায় রেখে, মায়ের সাথে ছবি দি সোশ্যাল মিডিয়ায়। কতই না ক্যাপশনে ভালোবাসার বন্যা বইয়ে দি, কিন্তু আদতে শেষ বয়সে মায়ের ঠিকানা 'বৃদ্ধাশ্রম'।
আর তাই সেই সকল মায়েদের কাছেই উপস্থিত ছিলেন বারাসাত এর পুলিশ প্রশাসন।
এর কিছুদিন আগের কথা। দিনটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। লকডাউনের জেরে পাড়ায় পাড়ায় বাজেনি রবীন্দ্রসংগীত। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ কর্তারা।
এছাড়াও কড়া নজরদারি সহ, ড্রোন এর সাহায্যেও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা - এসব তো আছেই কর্মসূচিতে।
এছাড়াও বারাসাতের পুলিশ কর্মীরা ৮,৪৩,৭০০ টাকার চেক তুলে দিয়েছেন ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট এমারজেন্সি রিলিফ ফান্ডে।
তাই একবার এনাদের কথাও ভাবুন। সকলে বাড়িতে থাকুন, লকডাউন অমান্য না করে চলুন। সুস্থ থাকুন সর্তক থাকুন। দ্য নিউজ এক্সপ্রেস বাংলার তরফে স্যালুট জানাই সকল পুলিশ কর্মকর্তাদের।
শ্রেয়া সাহা, বারাসাত; করোনার ত্রাসে গোটা বিশ্ব। নেই ভ্যাকসিন। হাসপাতালে পর্যাপ্ত বেড নেই। সংক্রমণ রুখতে তৎপর সকলেই।
এরই মধ্যে যারা সংক্রমণের পরোয়া না করে মানুষের স্বার্থে মানুষকে ভালো রাখছে, তাদের মধ্যে অন্যতম তারাই যারা জরুরি পরিষেবার সাথে জড়িত।
দেশে মহামারী হোক বা যুদ্ধ, তারা সর্বদাই নিজেদের দায়িত্বে অবিচল। পরিবারের জন্য দুঃখ করা যাদের কাছে মানা, ভয় যারা একমুহূর্তের জন্য পায় না, দেশের দুর্দিনে যারা সবার আগে দেশ কে আগলে রাখে, বাচ্চা দের ভাষায় যারা 'Superman'। আর তাদের মধ্যে অন্যতম 'পুলিশ প্রশাসন'।
"কোনো কারন ছাড়াই পিটিয়ে দিল", "কথা শুনলে তো", "বার বার কেস দিচ্ছে", "আরে স্যার! বাসে ভীড় কই", "গরীব দের কেস তো, তাই অবহেলা"
সাধারণ মানুষের তবুও কতই না অভিযোগ তাঁদের বিরুদ্ধে।
বেশির ভাগ সময় থেমে থাকেনি সাধারণ মানুষের অভিযোগ, খারাপ আচরন থেকে উল্টে পুলিশকেই পিটিয়ে দিচ্ছে তারা, যার প্রমাণও প্রচুর। তা বললেও হয়তো শেষ হবে না।
তবে যারা কড়া রোদে সাধারণ মানুষের স্বার্থে যারা রাস্তায় নজরদারি চালাচ্ছে, তাদের জন্য কী মানুষের একটুও ভাবা উচিত নয়? প্রশ্নটা রয়েই যায়। আর এর উত্তর দেওয়ার দায়িত্বটা না হয় আপনাদেরই দিলাম।
বারাসাত এর পুলিশ প্রশাসন কথা দিয়েছিল, এই লকডাউনে কোনো মানুষ অভুক্ত থাকবে না। নড়চড় হয়নি সে কথার। দ্বিতীয় দফার লকডাউনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর চলছে তৃতীয় দফার লকডাউন। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি মিথ্যা হয় নি।
শুধু তাই নয়, সম্প্রতি বিশ্ব নার্স দিবসেও তাঁরা ভোলেন নি নার্স দের সম্মান জানাতে।
শুধু কী এখানেই শেষ মনে হয়? না একদম নয়। মাতৃ দিবস, শুনেছেন নিশ্চয়ই দিনটির নাম। প্রতিদিন আমরা মায়ের খেয়াল না নিলেও, ওই দিনটি কিন্তু আমরা মিস করি না। ট্রেন্ড বজায় রেখে, মায়ের সাথে ছবি দি সোশ্যাল মিডিয়ায়। কতই না ক্যাপশনে ভালোবাসার বন্যা বইয়ে দি, কিন্তু আদতে শেষ বয়সে মায়ের ঠিকানা 'বৃদ্ধাশ্রম'।
আর তাই সেই সকল মায়েদের কাছেই উপস্থিত ছিলেন বারাসাত এর পুলিশ প্রশাসন।
এর কিছুদিন আগের কথা। দিনটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। লকডাউনের জেরে পাড়ায় পাড়ায় বাজেনি রবীন্দ্রসংগীত। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ কর্তারা।
এছাড়াও কড়া নজরদারি সহ, ড্রোন এর সাহায্যেও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা - এসব তো আছেই কর্মসূচিতে।
লকডাউনে রাস্তায় অনাহারে কুকুররা। তাদের খাবার দেওয়ার কেউ নেই। কিন্তু আছেন এনারা।
এছাড়াও বারাসাতের পুলিশ কর্মীরা ৮,৪৩,৭০০ টাকার চেক তুলে দিয়েছেন ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট এমারজেন্সি রিলিফ ফান্ডে।
তাই একবার এনাদের কথাও ভাবুন। সকলে বাড়িতে থাকুন, লকডাউন অমান্য না করে চলুন। সুস্থ থাকুন সর্তক থাকুন। দ্য নিউজ এক্সপ্রেস বাংলার তরফে স্যালুট জানাই সকল পুলিশ কর্মকর্তাদের।

No comments:
Post a Comment