কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইডেন বিল্ডিংয়ের ধারে মৃত দেহ পড়ে রইল প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে - The News Express

Breaking

The News Express

A Bengali News and Entertainment Web-Channel (24x7) The power of information

Youtube


Friday, May 15, 2020

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইডেন বিল্ডিংয়ের ধারে মৃত দেহ পড়ে রইল প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে



কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইডেন বিল্ডিংয়ের ধারে মৃত দেহ পড়ে রইল প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে



সৌমি মুখার্জী; করোনার গ্রাসে আজ গোটা বিশ্ব ,কয়েকদিন আগেই ইতালি-স্পেন- আমেরিকার চিত্র আমরা দেখেছি। সেখানে করোনাভাইরাসে এত মানুষ আক্রান্ত যে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি করার মত জায়গা নেই, এর ফলে প্রচুর মানুষ মারা গেছেন মৃত রোগীদের লাশ পড়ে রয়েছে রাস্তাঘাটে। এবার সেই একই চিত্র দেখা গেল কলকাতার বুকে , তাও আবার কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

রাজ্যের প্রধান কোভিড হাসপাতাল হিসেবে চিহ্নিত কলকাতা মেডিকেল কলেজ। সেই হাসপাতালেই বৃহস্পতিবার সকালে ইডেন বিল্ডিংয়ের ধারে প্রায় দু'ঘণ্টা ধরে পড়ে ছিল এক বৃদ্ধের দেহ। জানা গিয়েছে যে করোনার উপসর্গ ও জ্বর নিয়েই তিনি তার ছেলের সাথে ভর্তি হতে এসেছিলেন হাসপাতালে, কিন্তুু কোনো রকম চিকিৎসার আগেই তার মৃত্যু ঘটে। সেই মৃত দেহ পড়ে রইল হাসপাতালের বাইরে প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে। করোনার উপসর্গ থাকায় ঐ মৃতদেহের কাছে কেউই যাননি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা হাসপাতাল চত্বরে। 



হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে যে, ওই ব্যক্তি বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল থেকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফিভার ক্লিনিকে আসেন , সেখানে তাকে চিকিৎসার দেখেন এবং বলেন তাকে ভর্তি করানোর জন্য। নিয়ম অনুসারে তার ছেলে দু নম্বর গেটের পাশে ভর্তি করানোর টিকিট করাতে যান। টিকিট করানোর পর তার বাবাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য কোন ট্রলি না পেয়ে তার ছেলে তাকে কোলে করে নিয়ে হাঁটা শুরু করেন, এবং কিছুটা গিয়ে হাঁপিয়ে গেলে তার বাবাকে ইডেন বিল্ডিংয়ের পাশে রাস্তার উপর বাবাকে নামিয়ে রাখেন এবং সেখানেই পড়ে থাকে প্রায় দু'ঘণ্টা ধরে।

মৃতের ছেলের বলেন 'এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার সময়ই তার বাবার মৃত্যু ঘটে'
হাসপাতাল সুপার ইন্দ্রনীল বিশ্বাস বলেন- তাদের কাছে এ বিষয়ে কোনো সঠিক তথ্য মেলেনি, কেউ ভর্তি হয়েছে অথচ বেড- এ পৌঁছানোর আগেই মারা গেছেন এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি হাসপাতালে। রোগীর নাম ঠিকানাও তারা জানতে পারেনি আর কি উপসর্গ ছিল তাও জানতে পারিনি সবকিছু জানার আগেই তার ছেলের মৃতদেহ নিয়ে চলে যায়। শোনা যায় করোনার উপসর্গ ছিল, এইভাবে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়াটা ঠিক কাজ হয়নি।

No comments:

Post a Comment