পুষ্পিতা সিনহা:- বিগত কয়েকদিন আগে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। যার কাজ শুরু হয়েছে গত মাস থেকে। ৩৩ হাজার বাড়িতে বিভিন্ন জেলার গ্রামীন অঞ্চলে এই আনলক পর্বের মধ্যে জলের সংযোগ দিচ্ছে রাজ্য সরকার। এই কাজের জন্য লক্ষ্য রাখা হয়েছে ২০ দিন। জলের সংযোগ দেওয়া হবে কোথাও ভূগর্ভস্থ জল আবার কোথাও পরিশ্রুত। আরও লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে যে, ৮৩ লক্ষ্য বাড়িতে পাইপলাইনের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রী লক্ষ্য নিয়েছেন ২ কোটি বাড়ি এই সুবিধা পাবে। তার জন্য সময় নির্ধারণ হয়েছে পাঁচ বছর। এই প্রকল্প রূপায়ণ করার জন্য ৫৮ হাজার কোটি টাকা ধার্য করা হয়েছে। লকডাউন হোক কিংবা আনলক তার মাঝে দ্রুত ছুটে চলেছে।
সূত্রের খবর, এই পর্যায়ে সর্বোচ্চ কাজ হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় ১২ হাজার ৮৮৩ টি বাড়িতে। তারপর রয়েছে হুগলি ৩২ হাজার ৪১১ টি বাড়িতে। মালদহতে (২ হাজার ৭০৫ ), উওর ২৪ পরগনা ( ২ হাজার ৫৫২), এবং নদীয়াতে ( ২ হাজার ১২৭)। তাছাড়া হাজারের উপর বাড়িতে জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও দিনাজপুর। আর যে সকল জেলায় কম হয়েছে তা হল কালিম্পং, বাঁকুড়া, উওর দিনাজপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া। এই সকল জেলাগুলিতে কাজ না হওয়ার মূল কারণ হল পাইপলাইন না থাকা। তবে কাজ শ্রীঘ্রই শুরু হবে এই অঞ্চলগুলিতে।
তিন মাস ধরে লকডাউনের জেরে থমকে গিয়েছিল সমস্ত কাজ। আবার শুরু হয়েছে কাজ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের হাত ধরে ৬ জুলাই জনস্বাস্থ্য ও কারিগরী দপ্তরের প্রকল্প ' জল স্বপ্ন ' - এর সূচনা হয়। এই প্রকল্পের কারণ যদি মনে করা হয় দূরদূরান্ত থেকে মহিলাদের জল টেনে আনার সমস্যা লাঘব করার জন্য এই প্রকল্প তবে ভুল হবে। গ্রামীণ যুবকদের কর্মসংস্থান ও সংশ্লিষ্ট এলাকার উন্নয়নের জন্য এই প্রকল্প।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসে স্বাধীনতা দিবসের দিন ' জল জীবন মিশন ' প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন। ৫০ শতাংশ টাকা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার বরাদ্দ করবে। যদি রাজ্য অর্ধেক খরচ বহন করে তবে প্রকল্পের নাম স্থির করতে দেওয়ার অধিকার ও দেওয়া উচিত বলে যুক্তি দেয় নবান্ন। সেই অনুসারে প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ' জল স্বপ্ন '। এর ফলে অনেক মানুষের জলের সমস্যা দূরীকরণ, কর্ম সংস্থান হবে।
No comments:
Post a Comment