টিএনই ডেস্ক : রাজনীতির খেলায় টিকে থাকতে গেলে নিজেকে ক্ষমতাবান হতে হয়। রাজনীতিতে টিকে থাকার লড়াইটা বেশ কঠিন, যে যতক্ষন বেশি টিকে থাকতে পারবে তার জন্য সারাদেশ বজায় থাকবে।
সেই লড়াইয়ে নেমেছেন শুভেন্দু অধিকারী। চলছে শুভেন্দু অধিকারী ও তৃণমূলের মধ্যে স্নায়ুর লড়াই। পক্ষে-বিপক্ষে অনেক কথপোকথন উঠে আসছে । কিন্তু কে কতটা সঠিক কথা বলছেন বা মানুষজনকে জানাচ্ছেন সেটা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
রাজনীতির এই খেলায় শুভেন্দু বাবু কড়া ভাষায় অনেকে অনেক কিছুই বলে গেলেন কিন্তু পুরোটাই ধোঁয়াশা। তিনি নির্দিষ্ট কাউকে "বসন্তের কোকিল" বলে উল্লেখ করলেন। কিন্তু কেন এ মন্তব্য এবং কাকে উদ্দেশ্য করে বললেন এই মন্তব্য? শুভেন্দু বাবু এও জানান, তিনি নিজে কোভিড পজেটিভ হওয়া সত্ত্বেও কোভিড পরিস্থিতিতে তিনি অনেক সাহায্য করেছেন,আমফানের সময় অনেক উপকার করেছেন। তিনি সবসময় চান বিপদে যেন মানুষের পাশে থাকতে পারেন ।
শুভেন্দু বাবু নির্বাচিত মনোনীত নয়,এই কথাটি কাকে নিশানা করে বললেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম কারিগর? সোমবার রাতে তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে এক বৈঠক আলোচনাই বসেন শুভেন্দু বাবু। তৃণমূল আপ্রাণ চেষ্টায় আছে শুভেন্দু বাবু কে দলে ধরে রাখতে। কিন্তু দলের ভার যখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রশান্ত কিশোরের উপর এসে পড়ে এবং তারা যেভাবে দলকে পরিচালনা করছেন তাতে খুব একটা খুশি নন শুভেন্দু বাবু ।
এখন রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে বেশ চর্চা শুরু হয়েছে, এমনকি বিদ্রুপ করতে ছাড়েননি কংগ্রেসও। কটাক্ষ সুরে বলেন অধীর বাবু,শুভেন্দু আবদ্ধ থাকতে চায়না তৃণমূলে কিন্তু মমতা হাতে-পায়ে ধরেও পারলে রাখবেন । অন্যদিকে বিজেপিও শুভেন্দু বাবুকে অভ্যর্থনা জানান তাদের দলে যাবার জন্য।
প্রশ্ন সবার মনে এবার একটাই শুভেন্দুবাবু এবার কি করবেন? তৃণমূল থেকে যাবেন নাকি বিজেপিতে যাবেন নাকি অন্য বিকল্প কিছু ভাবছেন ? কেউ তার এই মন্তব্যে গরম হয়েছেন কেউ আবার নরম । এটা কি আদৌ কোন কৌশল? এই বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ গরম আবহাওয়া।
No comments:
Post a Comment