কর্মব্যস্ত দিনেও লোকাল ট্রেনে স্বল্প যাত্রী, উদ্বেগে রেল কর্তৃপক্ষ - The News Express

Breaking

The News Express

A Bengali News and Entertainment Web-Channel (24x7) The power of information

Youtube


Wednesday, November 18, 2020

কর্মব্যস্ত দিনেও লোকাল ট্রেনে স্বল্প যাত্রী, উদ্বেগে রেল কর্তৃপক্ষ

কর্মব্যস্ত দিনেও লোকাল ট্রেনে স্বল্প যাত্রী, উদ্বেগে রেল কর্তৃপক্ষ 

      টিএনই ডেস্ক : গত সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল লোকাল। এখনও আয়ত্তে আসেনি করোনা। ক্রমশ সংক্রমণ হয়েই চলেছে। কিন্তু করোনাকে ভয় পেয়েই পেটের তাগিদে রাস্তায় নামতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বহু দূর এলাকা থেকে মানুষকে কাজে আসতে হচ্ছে শহর এবং শহরতলিতে। কিন্তু লোকাল ট্রেন চালু না হওয়ার কারণে ক্রমশ ক্ষোভ বাড়তেই ছিল।বিভিন্ন স্টেশনে শুরু হয় যাত্রী বিক্ষোভ। এই অবস্থায় লোকাল শুরু করতে উদ্যোগ নেয় রাজ্য। রেলের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা শেষে শুরু হয়েছে পরিষেবা। 






            প্রথম দিন থেকে দুই ডিভিশনে গড়ে দৈনিক সাড়ে নয় থেকে দশ লক্ষ যাত্রী হচ্ছিল। ত্রিশ লক্ষের পরিবর্তে এই সংখ্যা নেহাতই নগণ্য।কালীপুজো, দীপাবলি, ভাইফোঁটা পেরিয়ে মঙ্গলবার কর্মব্যস্ত দিনেও হাওড়া, শিয়ালদহে তেমনভাবে বাড়ল না যাত্রীর সংখ্যা। হাওড়ার ডিআরএম ইশাক খান বলেন, “অতিরিক্ত ভিড়ের আশঙ্কা থেকে যাওয়ায় আমার ঘরে সিসিটিভি লাগিয়ে নজর রাখা হয়েছিল। অবস্থা দেখে স্পষ্ট ট্রেনে  ভিড় হচ্ছে না। অফিস টাইম বাদে সবটাই ফাঁকা।” রেলকর্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়ে ছিলেন, পুজোর ছুটি চলছে, মঙ্গলবার থেকে সংখ্যাটা অনেকটাই বাড়তে পারে। এই আশাও মাঠে মারা গেল। পূর্ব রেলের হাওড়া, শিয়ালদহ দুই ডিআরএম জানান, যাত্রী সংখ্যা এদিন প্রায় একই রয়ে গেল। সাধারণ দিন হলেও যাত্রী বাড়েনি।
      হাওড়া, শিয়ালদহ স্টেশনগুলিতে ব্যারিকেডের সংখ্যা এত বেশি যে আরপিএফ থেকে টিটিইরা চরম অস্বস্তির মধ্যে পড়েছেন। শিয়ালদহ ডিআরএম এসপি সিং বলেন, ব্যারিকেড করে যাত্রীদের বের করে না দিলে কনকোর্স এলাকায় ভিড় বাড়বে। তাতে সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যাবে। তবে যাত্রীরা সচেতন বলে জানান ডিআরএম তাদের ৯৫ শতাংশ মাস্ক ব্যবহার করছেন, মানছেন বিধি নিষেধ। তবে চাহিদা অনুযায়ী ট্রেনের সংখ্যা ক্রমে বেড়ে যাবে বলে  রেল কর্তৃপক্ষ জানান।
          তবে রাজ্য, রেল বৈঠকে কোভিড বিধি নিয়ে একাধিক পদক্ষেপের কথা ঘোষণা হলেও তা ক্রমান্বয়ে শিথিল হয়ে গিয়েছে বলে যাত্রীরা জানান। থার্মাল স্ক্রিনিং, স্যানিটাইজার, অ্যাম্বুল্যান্স সব উধাও হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।

No comments:

Post a Comment