টিএনই ডেস্কঃ বছর ঘুরে গেল করোনাকে নিয়ে,করোনার বেরোলো না কোন ভ্যাকসিন। সারা বিশ্বে এখনো মৃত্যু হচ্ছে শত শত মানুষের। করোনা কি তবে বিলুপ্ত? কি বলছেন বিজ্ঞানীরা?
নামকরা বিজ্ঞানীরা, বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা নানারকম দাবি করছে ভ্যাকসিন তৈরি নিয়ে। কিন্তু সাধারণ মানুষের মনে এই বিষয়ে কে পাত্তা না দিয়ে নিজেদের মধ্যে নানারকম মন্তব্য উঠে আসছে।
বিজ্ঞানী ডঃ মাইকেল ইয়াডেন বলেছেন, আমি আগে ভ্যাকসিন নিয়ে এমন হাহাকার দেখিনি যেন পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে এই ভ্যাকসিন না পেলে। আসলে তো সেরকম কোনো ব্যাপারই নয়। এখন শেষের দিকে করোনা মহামারী, এই সময় কোন প্রয়োজন নেই ভ্যাকসিনের।
এই কথাটির মাধ্যমে বিজ্ঞানিরা কি বলতে চাইছেন? তবে কি মহামারী থেকে সবাই ছাড়া পেলো? তবুও দিনের-পর-দিন কেন শত শত হাজারো মানুষের মৃত্যুর খবর শোনা যাচ্ছে।
মার্কিন সংস্থা ফাইজার ফার্মাসিউটিক্যাল দাবি জানিয়েছেন যে, তাদের ভ্যাকসিন ৯০% কার্যকর করতে এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবথেকে জটিল রোগ সারিয়ে দেবে তৃতীয় দফার ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাক্তন প্রধান ড. ইয়োডেন।
ডক্টর ইয়োডেন হলেন প্রাক্তন প্রধান একজন ডাক্তার। তিনি এলার্জি ও শ্বাসযন্ত্রের একাধিক রোগের বিষয়ে গবেষণা করেছেন বিগত ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে। তিনি মনে করেন এখন আর ভ্যাকসিন এর প্রয়োজন নেই করোনা মহামারী রোধ করার জন্য।
তিনি বলেছেন যাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কম তাদের ভ্যাকসিন দিয়ে কি লাভ? কয়েক কোটি মানুষ তো সুস্থ আছেন। এখনও তাদের কেন টিকাকরণ হবে। তাও এবার এমন ভ্যাকসিন যেটা ট্রায়াল ব্যাপকভাবে মানব শরীরে হয়নি এমনও তো হতে পারে। এই ভ্যাকসিন দেওয়ার ফলে সুস্থ মানুষের শরীরে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া শুরু হলে, তখন তো হিতে বিপরীত হবে।
ডক্টর ইয়োডেন আরো বলেছেন, ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে জনসংখ্যার ১০০% সংবেদনশীল ছিল না। কিন্তু করোনা নতুন কোন ভাইরাস নয় সার্স কোব-২ ভাইরাস নতুন হলেও। এর আগে কেউ করোনার আক্রান্ত হলে তার টি-সেল ইমিউনিটি মজবুত হবে। সেক্ষেত্রে তাকে নতুন করে টিকা দেয়া হবে কেন? এমন করোনার সঙ্গে উপসর্গ মিলে এমন ভাইরাসগুলো বিরুদ্ধে লড়াই করতে সেইসব আক্রান্তদের শরীর আগের থেকে সক্রিয় থাকবে এক্ষেত্রে আমার করোনার আরটি- পিসিয়ার নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।
No comments:
Post a Comment