অবনতির পথে ভারত চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, ফের অ্যাপ নিষিদ্ধ করায় তোপ বেজিংয়ের - The News Express

Breaking

The News Express

A Bengali News and Entertainment Web-Channel (24x7) The power of information

Youtube


Wednesday, November 25, 2020

অবনতির পথে ভারত চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, ফের অ্যাপ নিষিদ্ধ করায় তোপ বেজিংয়ের

টিএনই ডেস্কঃ বারবার জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাত দিচ্ছে ভারত, এমনিতে লাদাখ ইস্যুতে একাধিক আলোচনা চলছে, ব্যান্ড অনেক অ্যাপ। সম্প্রতি জানা গেছে আরো নতুন করে নিষিদ্ধ হয়েছে অনেক অ্যাপ। 

দুই দেশই শর্তসাপেক্ষে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে একমত হয়েছে। আগেই তো চলছে একাধিক আলোচনার পর আলোচনা। তারমধ্যে এই নতুন নিষেধাজ্ঞা।

এত কিছু ঘটার মধ্যেও ফের একবার ৪৩টি চিনা অ্যাপের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ফের একবার চীনের উপর ডিজিটাল স্ট্রাইক করেছেন নরেন্দ্র মোদি সরকার। 

কয়েক মাস আগে অনেক চিনা অ্যাপের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। আবারো ৪৩টি অ্যাপ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। বিষয়টি খুব একটা ভালোভাবে নেননি পড়শী চীন। এরই মধ্যে এই বিষয়টি নিয়ে সে দেশের সংবাদ মাধ্যমে হুলুস্থূল হয়ে পড়েছে। 

কিন্তু কেনই বারংবার এই নিষেধাজ্ঞা? এর পিছনে কি কোন বড়োসড়ো কারণ আছে? সেদেশের সংবাদমাধ্যমে করা বিবৃতি দিয়েছেন চীনের মুখপাত্র জি রং। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, দেশের নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে ভারতের বারবার একই পদক্ষেপ ভালোভাবে নেয়নি বেজিং। 

সেই একই সাক্ষাৎকারে চীনের মুখপাত্র বলেন, বারংবার জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে ভারত যেভাবে চিহ্ন গুলোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তবে তীব্র বিরোধিতা করছে বেজিং। আশাকরি ভারত নিজের ভুল শুধরে নেবে এবং সে দেশে ব্যবসার ক্ষেত্রে সবাইকে সমান সুযোগ দেবে। এখানেই শেষ নয় তিনি আরো বলেন, যেকোনো সময় চীনের কোন সংস্থায় ব্যবসার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিয়ম কানুন ভাঙ্গুক এব্যাপারে সবসময় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন এরপর তিনি জানান, আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের বাণিজ্যিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক কে সঠিক পথে চালিত করতে পাড়বে দুই দেশ, তাতে ভারত-চীন দু'দেশেরই লাভ হবে। 


এদিকে ৪৩টি অ্যাপ কে নিষিদ্ধ করার কারণ হিসেবে জানানো হয়। এই অ্যাপগুলি দেশের সার্বভৌমত্ব , অখণ্ডতার জন্য ক্ষতিকর তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৯ ধারা মেনে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত এর আগে গত ২৯শে জুন ও ২রা সেপ্টেম্বর ও বেশকিছু অ্যাপকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেগুলির সিংহভাগই চিনা অ্যাপ। অ্যাপগুলি বিরুদ্ধে ভারতের সার্বভৌমত্ব, প্রতিরক্ষা ও নাগরিকদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপদজ্জনক হয়ে ওঠার অভিযোগ ছিল।

No comments:

Post a Comment