মাতুয়ারা সকলেই এদেশের নাগরিক, কোনও প্রমাণপত্রের প্রয়োজন নেই’: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
টিএনই ডেস্ক : বনগাঁর গোপালনগরে প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়েছে সভামঞ্চ। মাস্ক ছাড়া কাউকেই সভায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি। বনগাঁর গোপালনগরের দলীয় সভা থেকে মতুয়া সম্প্রদায়ের সঙ্গে নিজের পুরনো সম্পর্কের কথা তুলে উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরলেন তৃণমূল নেত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভোট-বাক্সে ফায়দা তুলতে নয়, বরং মতুয়া সম্প্রদায়ের উন্নয়নের জন্যই বরাবর কাজ করে গিয়েছেন। তাঁদের স্বার্থরক্ষার কথাও তিনিই প্রথম ভেবেছেন। এমনটাই দাবি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় মঙ্গলবার এক জনসভায় তিনি বলেন, “আগে মতুয়াদের দিকে কেউ তাকিয়েও দেখত না। আমি মতুয়া সম্প্রদায়ের জন্য ডেভেলপমেন্ট বোর্ড গঠন করেছি। এখানে ফ্লাইওভারের পরিকল্পনাও রয়েছে।” আরও বললেন, ‘মতুয়ারা সকলেই এদেশের নাগরিক।
আপনাদের কোনও প্রমাণপত্রের প্রয়োজন নেই। জন্মগতভাবে বাড়িতে একজন থাকলেই জাতিগত শংসাপত্র।’বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিধানসভা নির্বাচনে মতুয়া ভোট ফেরানোই লক্ষ্য তৃণমূলের। গত লোকসভা ভোটে তৃণমূলের কাছ থেকে আসনটি ছিনিয়ে নেয় বিজেপি।সেই প্রেক্ষিতেই এদিনের সভা থেকে মতুয়াদের জন্য রাজ্য সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পরদেপ স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। বলেন, 'বড়মার চিকিৎসা আমি নিজে করিয়েছি। মতুয়াদের যে এত গোঁসাই আসতেন কেউ জানত না। এটা আমার পুরনো জায়গা।’তিনি যোগ করেন, ‘আমরা বাউরি সম্প্রদায়ের জন্য করেছি। মতুয়া উন্নয়নে বোর্ড তৈরি করেছি। ১০ কোটি টাকাও দিয়ে দিয়েছি। কমিটি আপানারা তৈরি করলেই কাজ শুরু হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা করে হবে। হরিচাঁদ গুরুচাঁদ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শুরু হয়ে গেছে। পশ্চিমবঙ্গের পাঠ্যপুস্তকে হরিচাঁদ ঠাকুরের জীবনী অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।’
বনগাঁর সভা থেকে তৃণমূল নেত্রী বলেন, ''মতুয়ারা সকলেই এদেশের নাগরিক। আপনাদের কোনও প্রমাণপত্রের প্রয়োজন নেই। জন্মগতভাবে বাড়িতে একজন থাকলেই জাতিগত শংসাপত্র। রাজ্যে এআরসি-এনপিআর হতে না। এ রাজ্যে এনআরসি হতে দেন না। রাজ্যকে গুজরাত বানাতে দেব না''। পাশপাশি, মতুয়া সম্প্রদায়ের জন্য রাজ্য সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ গুলি স্মরণ করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বড়মার চিকিৎসা আমি নিজে করিয়েছি। মতুয়াদের যে এত গোঁসাই আসতেন। তা কেউ জানতেন না। এটা আমার পুরনো জায়গা''। জনসভায় দাঁড়িয়ে তিনি আরও বলেন, ''আমরা বাউরি সম্প্রদায়ের জন্য কাজ করেছি। মতুয়া উন্নয়ন বোর্ড তৈরি করেছি। ইতিমধ্যেই ওই বোর্ডকে ১০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। কমিটি আপনারা তৈরি করলে দ্রুত কাজ শুরু হয়ে যাবে''। এছাড়াও তিনি বলেন, ''হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মদিনেও ছুটি ঘোষণা করা হবে। হরিচাঁদ গুরুচাঁদ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে।"
No comments:
Post a Comment