জেনে নিন হলুদের কিছু উপকারিতা - The News Express

Breaking

The News Express

A Bengali News and Entertainment Web-Channel (24x7) The power of information

Youtube


Thursday, December 24, 2020

জেনে নিন হলুদের কিছু উপকারিতা

জেনে নিন হলুদের কিছু উপকারিতা

টিএন‌ই ডেস্কঃ  হলুদ আমাদের প্রত্যেকের বাড়িতে থাকে। কিন্তু আমাদের মধ্যে খুব কম সংখ্যক মানুষজন‌ই হলুদের উপকারিতা জানেন। আবার তার মধ্যে কেউ কেউ হলুদ ব্যবহার‌ও করেন। 







হলুদ নিজেই একটি চমকপ্রদ মসলা। হলুদের মধ্যে একটি ঝাঁঝালো তিক্ত স্বাদ আছে এবং মাঝে মাঝে খাদ্যবস্তু রং করার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 

হলুদ দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া হলে এর উপকার দ্বিগুণ হয়ে যায়। হলুদ একটি রাসায়নিক যৌগ যার নাম কারকিউমিন স্নেহপদার্থ দ্রবীভূত করে দুধ গরম করে তার মধ্যে এক চামচ টারমারিক পাউডার মিশিয়ে টারমারিক প্রস্তুত করা হয়।

বিশ্বের মধ্যে ভারত হচ্ছে হলুদের সর্ববৃহৎ উৎপাদক উপভোক্তা এবং রপ্তানিকারক দেশ ভারতে উৎপাদিত হলুদের সর্বশেষ্ঠ বলা হয় কারণেই হলুদের উচ্চমাত্রায় কারকিউমিন থাকে সারা পৃথিবীতে উৎপাদিত হলুদের ৮০ শতাংশ ভারতে উৎপন্ন হয়।

প্রথমতঃ প্রদাহরোধী হিসেবে ত্বকের উপর ব্যবহার করা হয় যা কারণে শরীরে যন্ত্রণা হলে বা ফুলে গেলে তা কমাতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘস্থায়ীভাবে কোন জায়গা ফুলে থাকলে তা এড়াতেও।

দ্বিতীয়তঃ হলুদে যে কারফিউমা নামে যৌগ আছে যা এটিকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বড় গুণ সম্পন্ন করেছে। ফ্রি রেডিকেল নাশ করার শক্তি এর মধ্যে রয়েছে তাই অক্সিডেটিভ ক্ষতি পূরণ করে এবং শরীরে বার্ধক্য বিলম্বিত করে। 

তৃতীয়তঃ শুধু হার্ট এর জন্যই নয় মস্তিষ্কের জন্য হলুদ বেশ উপকারী। এক গবেষণায় দেখা গেছে ব্রেন-ডিরাইভড নিউরোট্রোফিক ফ্যাক্টর হচ্ছে এক ধরনের প্রোটিন যা মস্তিষ্কের প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, নিয়মিত হলুদ খেলে তা বিডিএনএফ মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে যার ফলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে, মস্তিষ্কের অসুখ কমে এবং মস্তিষ্ক ঠিক ভাবে কাজ‌ও করে। 

চতুর্থতঃ কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে ক্যান্সার হয়ে থাকে এক পরীক্ষায় দেখা গেছে হলুদে উপস্থিত কারকিউমিন ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হতে পারে কারণ তা কোষকে প্রভাবিত করে। আনবিক স্তরে ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি, বিস্তার এবং  ছড়িয়ে পড়া রোধ করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, কারকিউমিন সাধারণ কোষ কে প্রভাবিত করে না কিন্তু বিভিন্ন টিউমার কোষ মেরে ফেলে। এই কারণে একটি উপকারী ভেষজ উদ্ভিদ হিসেবে কারকিউমিন প্রমাণিত,যা থেকে‌ বিভিন্ন ওষুধের উন্নতি ঘটানোর কাজে লাগানো হচ্ছে। 

পঞ্চমতঃ  চিরাচরিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে বহুবিধ ভেষজগুণ এর জন্য হলুদের ব্যবহার হয়ে আসছে। পরীক্ষায় বলা হয়েছে, দাঁতে প্লাক হয়েছে কিনা সাদাচোখে বোঝা যায় না তা বুঝবার জন্য হলুদ ব্যবহার করা যেতে পারে। হলুদের নির্যাস বেনি- কোজির উপস্থিতির কারণে হলুদ পিগমেন্ট তৈরি হয় যার জন্য প্লাকের রঙ হলুদ দেখায়। এছাড়া প্রদাহপ্রতিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানের জন্য জিঞ্জিভাইটিস, ব্যথা কমানো, পিরিওডনটাইটিস এবং মুখের ক্যান্সারের চিকিৎসায় হলুদ সাহায্য করে। 

আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় এত মসলার মধ্যে হলুদ যে এত উপকারী আমরা কেউই জানতাম না। তবে উপরে উল্লেখিত যেকোনো রোগের সমস্যায় ভুগলে হলুদ অবশ্যই ব্যবহার করুন। সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে একদমই ভুলবেন না।

No comments:

Post a Comment