১৩ই জানুয়ারি থেকে শুরু করোনার টিকাকরণ, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে
টিএনই ডেস্কঃ প্রত্যেকটি দেশেই চলছিল করোনার ভ্যাকসিনের ট্রায়াল। এই ট্রায়াল বারবার ফেলও হয়। অনুমতি মেলে না দেশের কোন জায়গা থেকেও। তবে শেষমেশ দেশে প্রবেশ ভ্যাকসিনের।
ব্রিটেন আমেরিকার মতো বিশ্বের বহু দেশে শুরু হয়েছিল করণা টিকাকরণ এই অবস্থায় ভারত কবে ফেরদৌস দেওয়া শুরু করবে তা নিয়ে চলছিল নানা জল্পনা। ভ্যাকসিনের কথা ঘোষণা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
শেষমেষ ১৩ই জানুয়ারি থেকে দেশে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হবে। আজ শাস্ত্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, চূড়ান্ত অনুমতি পেয়ে যাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে টিকাকরণ শুরু করে দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত গত রবিবারই অনুমতি দেওয়া হয় টিকাকরণের। স্বাস্ত্রমন্ত্রকের বিবৃতির পর থেকেই দানা বেঁধেছে জল্পনা।
অপরদিকে মঙ্গলবার দুই ভ্যাকসিন নির্মাতা সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট(Serum Institute of India) ও ভারত বায়োটেকের(Bharat Biotech) যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয় একজোট হয়েই দুই সংস্থার ভ্যাকসিন বিতরণ করা হবে। যত দ্রুত সম্ভব ভারতে টিকাকরন করানো শুরু হবে। সেইসঙ্গে এও জানানো হয়, তাদের ভ্যাকসিন তারা সারাবিশ্বেই বন্টন করবে।
এদিকে গত রবিবার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসি সেরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড ও ভারত বায়োটেকের কোভ্যাকসিনকে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমতি দেয়। প্রথমে স্বাস্থ্যকর্মীদের জরুরী পরিষেবা দেওয়া হবে। পরে সংযুক্ত কর্মী ও বয়স্কদের তারপর অন্যান্যদের কাছে পৌঁছাবে ।
তবে কি করে অনুমোদিত ভ্যাকসিন সাধারণের কাছে পৌঁছাবে? মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব রাজেশ ভূষন বিষয়টি পরিষ্কার করে বলেন, প্রথমে নির্মাতাদের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়া হবে। মুম্বাই, চেন্নাই, হরিয়ানা কলকাতার সরকারি মেডিকেল ডিপার্টমেন্ট পৌঁছানো হবে। তারপর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুলিতে যাবে। তিনি জানান,সারা দেশে ২৯ হাজার কোল্ড স্টোর রয়েছে। যেখানে সংরক্ষিত করে রাখা যাবে ভ্যাকসিনগুলি। দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা আড়াই লাখের নিচে নেমে এসেছে এবং তা দ্রুত আরো কমছে।

No comments:
Post a Comment