বাজার বিস্তার যুদ্ধে মুখোমুখি অ্যাস্ট্রোজেনেকা ও ভারত বায়োটেক - The News Express

Breaking

The News Express

A Bengali News and Entertainment Web-Channel (24x7) The power of information

Youtube


Tuesday, January 5, 2021

বাজার বিস্তার যুদ্ধে মুখোমুখি অ্যাস্ট্রোজেনেকা ও ভারত বায়োটেক

বাজার বিস্তার যুদ্ধে মুখোমুখি অ্যাস্ট্রোজেনেকা ও ভারত বায়োটেক

টিএনই ডেস্ক : এবার বাজার ধরার যুদ্ধে সম্মুখ- সমরে নিযুক্ত হল ভারতের প্রথম দুই করোনাভাইরাস টিকা। নাম না করেই কোভ্যাকসিনের যে কটাক্ষ করেছিল সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া, এদিন তার পাল্টা জবাব দিল ভারত বায়োটেক। এই সংস্থার চেয়ারম্যান এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর কৃষ্ণা এল্লা দাবি করেন "কোভিশিল্ডের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ধামাচাপা দিতে স্বেচ্ছাসেবকদের প্যারাসিটামল দিয়েছে অ্যাস্ট্রোজেনেকা।"






কোভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দেওয়ার পরই ভারতে টিকা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পর্যাপ্ত তথ্য ছাড়া অনুমোদন পেয়েছে কোভ্যাকসিন, যা কিনা হিতে বিপরীত হতে পারে। আর সেই রেশ ধরেই এনডিটিভিকে সেরাম এর সিইও আদর পুনাওয়ালা দাবি করেন," সারাবিশ্বে মাত্র তিনটি করোনাভাইরাস টিকার (অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাস্ট্রোজেনেকা, ফাইজার এবং মডার্নার) কার্যকারিতার প্রমাণ মিলেছে। বাকি কোনো টিকারই কার্যকারিতা সংক্রান্ত কোনো প্রমাণ নেই। ভারত, রাশিয়া, ইউরোপসহ বাকি সমস্ত টিকা 'জলের মতো নিরাপদ' এগুলির কার্যকারিতা এখনো প্রমাণিত হয়নি। " বলেই দাবি করেছেন সেরাম এর সিইও।

কারো নাম না করলেও সেরাম কর্তা যে প্রতিপক্ষ ভারত বায়োটেক কে উদ্দেশ্য করে এই কথাগুলো বলেছেন তা যথেষ্ট স্পষ্ট। তবে এই কটাক্ষের পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারত বায়োটেক। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে এল্লা বলেন," ভারতীয় বিজ্ঞানীদের নিশানা করা সহজ কাজ। এটা আমায় বলতে হচ্ছে কারণ, অন্য একটি সংস্থা আমার টিকাকে 'জলের মতো নিরাপদ' বলেছে। গতকাল সংবাদমাধ্যমে একটি স্থানীয় সংস্থা জানিয়েছে, যে অন্যান্য সংস্থার সুরক্ষা হলো জলের মতো নিরাপদ শুধুমাত্র তিনটি সংস্থার টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়েছে এবং অন্যান্য টিকা হলো জলের মতো। আমি সেটা খারিজ করছি। বিজ্ঞানী হিসেবে এরকম মন্তব্য কষ্ট জনক। আমরা ২৪ ঘন্টা কাজ করি এবং মানুষের তরফ থেকে এরকম সমালোচনার যোগ্য নই। "

যদিও সেখানেই শেষ হয়নি বিতর্ক। অক্সফোর্ড এর ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ভারত বায়োটেক এর সিইও। তিনি বলেন আপনারা ব্রিটেনে অ্যাস্ট্রোজেনেকা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল নিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন। ৬০ শতাংশ শতাংশ নাকি ৯০ শতাংশ, এর কার্যকারিতা কতটা কেউ জানে না। কেউ বলেন বেশি ডোজ বা কম ডোজ। যদি আমরা ভারতে ঐ রকম ট্রায়াল চালাতাম তাহলে গুণমানের ভিত্তিতে সংস্থা বন্ধ করে দিত ড্রাগস কন্ট্রোলার অফ ইন্ডিয়া। কোভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশেরও কম বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে অন্যদিকে তা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ হয়েছে আমি আশ্বস্ত করতে পারি যে আমাদের টিকা ২০০ শতাংশ সুরক্ষিত।

No comments:

Post a Comment