পুষ্পিতা সিনহা:-করোনা আক্রান্তে সবাই যখন গৃহবন্দি, তখন এর সুযোগে বাড়ছে আরও চোরাশিকার। মানুষ নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করতে বারবার জঙ্গলকে ধ্বংস করছে। পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম জঙ্গল আমাজনকে পৃথিবীর ফুসফুস বলে থাকি। কয়েকদিন আগে এই জঙ্গল ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের স্বীকার হয়েছে ।
একদিকে মহামারি অন্যদিকে চোরাশিকার । তথ্য বলছে, শেষ দশকের সবচেয়ে বেশি পরিমাণ গাছ কাটা হয়ে গেছে গত তিন মাসে । ঠিক এমনটাই দাবি করেছেন ব্রাজিলের জাতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ।
২০১৮ সালে গোটা আমাজন অরণ্যে প্রায় ১৭ % ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে । ২০১৯ সালে এর পরিসংখ্যান আরও বৃদ্ধি পেয়েছে । এই বছরে অবাক করার মতো বিষয় হল, এই মহামারীর মধ্যেও অরণ্য ধ্বংস বন্ধ হয়নি । চক্ষুহীন ভাবে বেড়ে চলেছে চোরাশিকার, জঙ্গল ধ্বংস ।
বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যনেয় ব্রাজিলের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা তাতে ধরা পরে শুধুমাত্র মার্চ মাসেই যে পরিমাণ গাছ কাটা হয়েছে সেই জঙ্গলে তা একটি রেকর্ড সংখ্য।
আমাজনে বসবাসকারী স্থানীয় উপজাতি, জঙ্গলের ভূমিপুত্র ও আমাজনের রক্ষাকবচ বলে পরিচিত সেখানকার আদিবাসী কারিপুনা । তারা বলেন , এই সমস্ত মানুষদের বন বা বন্যপ্রাণী শুধুমাত্র লক্ষ্য নয়। আরও একটি লক্ষ্য হল মাটির নীচে থাকা প্রাকৃতিক সম্পদ ।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে জানা গিয়েছে, আমাজন রন্ডোনিয়া অঞ্চলে কিছু অবৈধ সোনা পাচারকারীদের যাতায়াত চোখে পড়েছে এই সময় । কিন্ত দেশের প্রশাসন এই ব্যাপারে নিরুত্তাপ । ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বোলসোনারোকেই কটাক্ষ করেছেন পরিবেশবিদরা কেননা তাঁর শাসন কালে চরম পরিমাণে বনাঞ্চল ধ্বংস হচ্ছে । এর সত্ত্বেও তিনি কোন পদক্ষেপ নেননি ।
No comments:
Post a Comment