নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ; করোনা জেরে জেরবার সারা বিশ্ব | তা থেকে কিছুটা রেহাই পেতেই ব্যবস্থা লক ডাউনের | ফলে বন্ধ পড়াশোনাও | তাই পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখেই নেওয়া হল বিশেষ পদক্ষেপ | পড়া হোক বা নাই হোক সবাইকে পাশ করিয়ে দেওয়া হবে, এমনটাই ঘোষণা রাজ্য সরকারের |
লক ডাউনে বন্ধ প্রায় সমস্ত দেশ | বাদ যায়নি ভারতও| আর এর প্রভাব পড়েছে সব ক্ষেত্রেই বন্ধ অফিস, দোকানপাট থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও। আর তাই স্কুল বন্ধ থাকায় পড়াশুনা হচ্ছে না একাধিক পড়ুয়ার। এমত অবস্থায় গৃহশিক্ষকরাও লকডাউনের জেরে বাড়িথেকে বেরোতে না পেরে বন্ধ রেখেছেন তাদের পড়ানো | ফলত, এগোচ্ছে না সিলেবাস। চিন্তিত পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা। নতুন বছর শুরু হতেই এমন সমস্যা। অভিভাবকদের বক্তব্য, "মার্চ মাসের অর্ধেক দিন স্কুল হতে না হতেই ছুটি পড়ে গেল। কী ভাবে পড়ুয়ারা পরীক্ষায় ভালো ফল করবে?"
ছুটি পড়ে যাওয়ায় স্থগিত প্রথম সামেটিভ পরীক্ষা, আর স্কুল খুললেই সময় হয়ে যাবে দ্বিতীয় সামেটিভ পরীক্ষার ,আর তারপরেই বার্ষিক পরীক্ষা। চারিদিকে পরীক্ষার ঘনঘটা, কিন্তু নেই প্রস্তুতি। এই পরিস্থিতিতে অষ্টম শ্রেণী অবদি কোনো পড়ুয়াকেই যাতে পুরোন ক্লাসে না থাকতে হয়, তাই তাদের প্রত্যেক কে পাশ করিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্য সরকার।
তবে বাকি ক্লাস গুলির কী হবে ? এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নবম থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর অবদি পড়ুয়াদের ইমেল বা কোনো টেকনোলজির সাহায্যে এমনকি দূরদর্শনের সাহায্যেও যদি কোনো ভাবে পড়ানো যায়, তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে।
লক ডাউনে বন্ধ প্রায় সমস্ত দেশ | বাদ যায়নি ভারতও| আর এর প্রভাব পড়েছে সব ক্ষেত্রেই বন্ধ অফিস, দোকানপাট থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও। আর তাই স্কুল বন্ধ থাকায় পড়াশুনা হচ্ছে না একাধিক পড়ুয়ার। এমত অবস্থায় গৃহশিক্ষকরাও লকডাউনের জেরে বাড়িথেকে বেরোতে না পেরে বন্ধ রেখেছেন তাদের পড়ানো | ফলত, এগোচ্ছে না সিলেবাস। চিন্তিত পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা। নতুন বছর শুরু হতেই এমন সমস্যা। অভিভাবকদের বক্তব্য, "মার্চ মাসের অর্ধেক দিন স্কুল হতে না হতেই ছুটি পড়ে গেল। কী ভাবে পড়ুয়ারা পরীক্ষায় ভালো ফল করবে?"
ছুটি পড়ে যাওয়ায় স্থগিত প্রথম সামেটিভ পরীক্ষা, আর স্কুল খুললেই সময় হয়ে যাবে দ্বিতীয় সামেটিভ পরীক্ষার ,আর তারপরেই বার্ষিক পরীক্ষা। চারিদিকে পরীক্ষার ঘনঘটা, কিন্তু নেই প্রস্তুতি। এই পরিস্থিতিতে অষ্টম শ্রেণী অবদি কোনো পড়ুয়াকেই যাতে পুরোন ক্লাসে না থাকতে হয়, তাই তাদের প্রত্যেক কে পাশ করিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্য সরকার।
তবে বাকি ক্লাস গুলির কী হবে ? এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নবম থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর অবদি পড়ুয়াদের ইমেল বা কোনো টেকনোলজির সাহায্যে এমনকি দূরদর্শনের সাহায্যেও যদি কোনো ভাবে পড়ানো যায়, তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে।


No comments:
Post a Comment