করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে লকডাউন,চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন দফায় এখন অবধি কতদিন লকডাউন চলেছে বা চলছে-
প্রথম দফায় ২১ দিন
দ্বিতীয় দফায় ১৯ দিন
তৃতীয় দফায় ১৪ দিন
মোট ৫৪ দিন(এখন অবধি)
তবে সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী কোন জোনে কি কি খোলা থাকবে কিবা বন্ধ থাকছে দেখুন....
■রেড জোনে
- সাইকেল রিকশা , অটো রিকশা, ট্যাক্সি, ক্যাব, জেলার ভিতরে এবং এক জেলা থেকে অন্য জেলায় বাস চলাচল করবে না ।
- সেলুন ও স্পা বন্ধ থাকবে ।
■ রেড জোনের ছাড়
- হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম তৈরির কারখানা চালু থাকবে ।
- চার চাকার গাড়িতে চালক সহ ২ জন যাতায়াত করতে পারবে ।
- জরুরি ভিত্তিতে বাইকে একা যাওয়া যাবে ।
- ৩৩% কর্মী নিয়ে অফিসে কাজ করা যাবে ।
- শহরাঞ্চলে অনুমতি সাপেক্ষে শিল্প, প্রতিষ্ঠান, SEZ, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য তৈরি রফতানিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে ।
- সংবাদমাধ্যম, তথ্যপ্রযুক্তি, IT হার্ডওয়ার , চটকল, প্যাকেজিং সরসরঞ্জামের কারখানায় ছাড়দেওয়া হয়েছে ।
■ অরেঞ্জ জোন
- জেলা ও আন্তজেলা পরিষেবা বন্ধ থাকবে ।
■ অরেঞ্জ জোনের ছাড়
- সাইকেল রিকশা, অটো রিকশা, ট্যাক্সি, ক্যাব -এ ছাড় ।তবে চালক ছাড়া গাড়িতে ২ জন যাত্রী থাকবে ।
- সেলুন খোলা যাবে ।
- হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম তৈরির কারখানা অটো , সাইকেল রিকশা, অটো রিকশা, ট্যাক্সি, ক্যাব, বাইকের চালকের সঙ্গে যেতে পারেন একজন।
- শহরাঞ্চালে বাইরে থেকে শ্রমিক না এনে কাজ করা যাবে ।
■ গ্রিন জোনে ছাড়
- গ্রিন জোনের ক্ষেত্রে জেলার মধ্যে বাস চলবে ৫০% যাত্রী নিয়ে ।
- খুব দরকার না থাকলে সন্ধ্যা ৭ টা থেকে সকাল ৭ টা অবদি বাড়ির বাইরে বেরোবেন না ।
- রাস্তারধারে একটিমাত্র মদের দোকান আছে সেক্ষেত্রে দোকান খোলা যাবে । তবে কমপক্ষে ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে ।
সর্বপরি টিএনই-র পক্ষ থেকে সকলকে মানবিক আবেদন নিজেদের সুরক্ষা নিজের কাছে তাই অযথা বাড়ি থেকে বের হবেন না।নিজে থাকুন ও অপরকে সতর্ক রাখুন।সরকারের দেওয়া নির্দেশিকা মেনে চলুন।
প্রথম দফায় ২১ দিন
দ্বিতীয় দফায় ১৯ দিন
তৃতীয় দফায় ১৪ দিন
মোট ৫৪ দিন(এখন অবধি)
তবে সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী কোন জোনে কি কি খোলা থাকবে কিবা বন্ধ থাকছে দেখুন....
■রেড জোনে
- সাইকেল রিকশা , অটো রিকশা, ট্যাক্সি, ক্যাব, জেলার ভিতরে এবং এক জেলা থেকে অন্য জেলায় বাস চলাচল করবে না ।
- সেলুন ও স্পা বন্ধ থাকবে ।
■ রেড জোনের ছাড়
- হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম তৈরির কারখানা চালু থাকবে ।
- চার চাকার গাড়িতে চালক সহ ২ জন যাতায়াত করতে পারবে ।
- জরুরি ভিত্তিতে বাইকে একা যাওয়া যাবে ।
- ৩৩% কর্মী নিয়ে অফিসে কাজ করা যাবে ।
- শহরাঞ্চলে অনুমতি সাপেক্ষে শিল্প, প্রতিষ্ঠান, SEZ, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য তৈরি রফতানিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে ।
- সংবাদমাধ্যম, তথ্যপ্রযুক্তি, IT হার্ডওয়ার , চটকল, প্যাকেজিং সরসরঞ্জামের কারখানায় ছাড়দেওয়া হয়েছে ।
■ অরেঞ্জ জোন
- জেলা ও আন্তজেলা পরিষেবা বন্ধ থাকবে ।
■ অরেঞ্জ জোনের ছাড়
- সাইকেল রিকশা, অটো রিকশা, ট্যাক্সি, ক্যাব -এ ছাড় ।তবে চালক ছাড়া গাড়িতে ২ জন যাত্রী থাকবে ।
- সেলুন খোলা যাবে ।
- হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম তৈরির কারখানা অটো , সাইকেল রিকশা, অটো রিকশা, ট্যাক্সি, ক্যাব, বাইকের চালকের সঙ্গে যেতে পারেন একজন।
- শহরাঞ্চালে বাইরে থেকে শ্রমিক না এনে কাজ করা যাবে ।
■ গ্রিন জোনে ছাড়
- গ্রিন জোনের ক্ষেত্রে জেলার মধ্যে বাস চলবে ৫০% যাত্রী নিয়ে ।
- খুব দরকার না থাকলে সন্ধ্যা ৭ টা থেকে সকাল ৭ টা অবদি বাড়ির বাইরে বেরোবেন না ।
- রাস্তারধারে একটিমাত্র মদের দোকান আছে সেক্ষেত্রে দোকান খোলা যাবে । তবে কমপক্ষে ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে ।
সর্বপরি টিএনই-র পক্ষ থেকে সকলকে মানবিক আবেদন নিজেদের সুরক্ষা নিজের কাছে তাই অযথা বাড়ি থেকে বের হবেন না।নিজে থাকুন ও অপরকে সতর্ক রাখুন।সরকারের দেওয়া নির্দেশিকা মেনে চলুন।


No comments:
Post a Comment