টিএনই ডেস্ক:-নেতা হোক বা অভিনেতা দুই রূপেই দেব একাধিকবার নেটিজেনদের কটাক্ষের শিকার হয়েছেন। দুদিন আগেই নিজস্ব সংসদীয় এলাকা তথা পিতৃভূমি মেদিনীপুরে একটি সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ দেব। সেখানে থাকে সদ্য নির্মিত অযোধ্যা রাম মন্দির নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তরে বলেন,“এই সময়ের প্রেক্ষিতে ভ্যাকসিন না মন্দির কোনটা আগে জরুরী একটা বাচ্চাও বলে দিতে পারবে!” বর্তমান করো না পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে এই অবস্থায় হসপিটালে বেডের সংখ্যা সীমিত থাকায় অনেকেই বিনা চিকিৎসায় মরতে হচ্ছে। তাই দেবের এইরূপ দাবি একেবারেই অস্বীকার করা যায় না।তবে যদি আসে রাম মন্দিরের কথা,সে ব্যাপারে নিরপেক্ষ মত প্রসন করাটাই ভালো।
রাজনৈতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ আক্রমণ থেকে বরাবরই বিরত থেকেছেন দেব। তাই রাম মন্দির প্রসঙ্গে তার এইরূপ দ্বিচারিতাতে অসন্তুষ্ট অনেকেই। এর জন্য তাকে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে সমালোচিতও হতে হয়েছে। তবে দেব বরাবরই তার সমালোচকদের খুব ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন এবং সঠিক উত্তরও দিয়েছেন। এ ব্যাপারেও তার অন্যথা হয়নি।এই দিন একটি ফেসবুকীয় আড্ডায় তার সমালোচনার জবাব দিলেন অভিনেতা দেব। তিনি বলেন,“যেদিন রাম মন্দির হবে সেদিন সপরিবারে পুজো দিতে যাব।”
দেব কোনদিনই কোন বিশেষ রাজনৈতিক দলের পক্ষপাতিত্ব করেননি, ঠিক কি ঠিক আর ভুলকে ভুল বলাটাই তার কাছে অধিক পছন্দের।তবে এবার তিনি সমস্ত বিতরকের জবাব দিয়ে বললেন, প্রত্যেক দেশে যদি নিজস্ব উপাসক দেবতার বড় বড় মন্দির হতে পারে তাহলে ভারতেই নয় কেন শুধু তিনি নয় সারা বিশ্বের হিন্দুরা রাম মন্দির নিয়ে গর্ববোধ করবে। এই কথা তিনি এই দিন উল্লেখ করেছেন, রাম মন্দির নিয়ে তার কখনোই কোনো আপত্তি নেই এই কথা তিনি এদিন সাফ জানিয়ে দিলেন। তিনি আরো বললেন তার আপত্তিটা অন্য জায়গায়। মন্দির নির্মাণকে কেন্দ্র করে বহু মানুষের সমাহার হবে সঠিক সচেতনতা থাকবে না আর সামাজিক দূরত্ব তো বাদই দেওয়া যাক। সংক্রমণ প্রবল হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। কিন্তু তার সমালোচকরা তার কথার আসল উদ্দেশ্য না বুঝেই তার বিরুদ্ধাচরণ করা শুরু করেন।
তিনি ঐদিন ওই ভার্চুয়াল আড্ডায় তার নিন্দুকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “ট্রোল নিয়ে কিছু যায় আসে না আমার। কাজ করেছি কি করিনি, সেটা ইতিহাসই বলবে।” সম্প্রতি কোন পরিস্থিতিতে বহু মানুষের ত্রাতা রূপে দেখা গেছে দেবকে। একজন নেতা বা অভিনেতা হিসেবে নয় তিনি একজন মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ভিন দেশে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকদের তিনি পরিযায়ী বলেননা। দুবাই রাশিয়া থেকে বহু মানুষকে ঘরে ফেরানোর পর এবার তিনি বাংলাদেশের আটকে পড়া ২০০০ জনকে ঘরে ফেরাতে উদ্যত হয়েছেন। ভাবতে অবাক লাগে তবুও কিছু মানুষ এখনও তার সমালোচনা করছে।
No comments:
Post a Comment