সুজানা পারভিন:- করোনার থাবা জমাট বেঁধেছে সমস্ত মানবদেহে। একবার সেই মারণ রোগে পা দিলেই সমস্যার ঝুঁকি সমাপ্তি ঘটবে না কারোরই। সেই রোগেই সম্মুখীন হয়েছেন ভারতের প্রথম মহিলা কার্ডিওলজিস্ট এস আই পদ্মাবতী। করোনা রোগাক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন তিনি। করোনার উপসর্গ নিয়ে ১১দিন আগে ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন তিনি। তাঁর পরিস্থিতি ক্রমে অবনতি ঘটতে থাকে।পরিস্থিতি সামলানো যায়নি তাঁর। রবিবার ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটের তরফে তাঁর মৃত্যুর খবর আসে।
ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটের সিইও ও পি যাদব বলেছেন, ডঃ পদ্মাবতীর দুটি ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দেয়। সেটাই তাঁর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাড়ায়। ১০৩ বছরের চিকিৎসক অমর কাজ করে গিয়েছেন হৃদরোগ সংক্রান্ত চিকিৎসা পরিষেবায়। শতবর্ষে পা দিয়েও ২০১৫ পর্যন্ত দৈনিক ১২ ঘন্টা করে ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে সপ্তাহে পাঁচদিন কাজ করে গিয়েছেন পদ্মাবতী। ১৯৮১ সালে তিনি গড়ে তোলেন এই প্রতিষ্ঠানটি। ১৯৫৪ সালে লেডি হার্ডিঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে উত্তর ভারতের মধ্যে প্রথম কার্ডিও ক্যাথারাটাইজেশন ল্যাবরেটরি তাঁর হাত দিয়েই সম্পুর্নতা লাভ করে। ১৯৪৭ সালে মৌলানা আজাদ মেডিক্যাল কলেজের ডিরেক্টর-প্রিন্সিপাল পদের দায়িত্ব নেন। একধারে আর উইন ও জি বি পন্থ হাসপাতালের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। কার্ডিওলজিতে ডিএম কোর্স ও তিনি প্রথম চালু করেছিলেন। ভারতে করোনার কেয়ার ইউনিট,করোনার কেয়ার ভ্যানের তাঁরই মস্তিষ্কপ্রসূত। ১৯৬২ সালে অল ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতেও জড়িয়ে আছেন এই স্বনামধন্য চিকিৎসক।
তাঁর এই উপস্থাপনা অমর হয়ে থাকবে সকলের অন্তরে। তাঁর প্রয়াত কাল অস্পষ্ট ভাব প্রকাশ পাবে এই মহাকালে।
No comments:
Post a Comment