সুজানা পারভিন:- আনলকের চতুর্থ পর্ব শুরু হলো এই মাসে। চতুর্থতম আনলকের ফলে কী সব দিক দিয়েই সুবিধা হতে পারে? তা নয়। তাড়াহুড়ো করে লকডাউন তুলে নেওয়া বিপর্যস্ত হতে পারে। এই নিয়ে সতর্কতা জারি করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ভারত লকডাউন তুলে দেওয়ার ফলে এই বার্তা প্রেরণ করা হয়। লকডাউনের ফলে সাধারণ মানুষের কষ্টসাধ্য ব্যাপার নিয়েই এটি পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু যে হারে মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে সেটার থেকে বড়ো আর কিছুই নয়। করোনার সংক্রমণের হার কমানো চিন্তা সর্বপ্রথম ভাবনার মধ্যে তুলে ধরা উচিৎ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসুস বলেছিলেন, দ্রুত জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করে দেওয়ার প্রক্রিয়া বিপর্যয় এনে দিতে পারে। যে সমস্ত দেশ এই ভাইরাসটিকে নিয়ন্ত্রণ আনতে পেরেছে শুধু তারাই জীবনযাত্রা স্বাভাবিক ভাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। আরও বলেছেন, যারা সত্যিই সবকিছু স্বাভাবিক করতে চাই, তাদের সংক্রমণ কমানোর ইচ্ছেটাও থাকতে হবে। হয়তো মনে হচ্ছে , দুই দিক মিলিয়ে চলাটা অসম্ভব। কিন্তু তেমনটা নয় । টেড্রোসের কথায়,আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে , আমারা ভাইরাসটিকে ছড়াতে সাহায্য করছি না। যাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি , তাদের রক্ষা করতে হবে। কারণ সংক্রমণের 'ক্লাস্টার " গুলি যদি থেকেই যায় তাহলে নিচতলায় রোগটি চলতেই থাকবে। তাই আরও বেশি বেশি টেস্ট, সনাক্তকরণ ও আইসলেশন প্রয়োজন।
ইটালিতে সংক্রমণের সংখ্যা ক্রমশ কমতে দেখা যায় সেই জন্য তারা ধিরে ধিরে লকডাউন তুলতে থাকে। কিন্তু ভারতে এখন সংক্রমণের হার স্বাভাবিক হয়নি,তাই আনলকের প্রয়োজন পড়ে না। এই আনলকের ফলে আরও সংক্রমণ বৃদ্ধি হতে পারে। লকডাউন তুলতে বিশেষ প্রয়োজন "কড়া নজরদারি"।এই চিন্তা ভাবনা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্কতা জারি করেন।
No comments:
Post a Comment