স্বাগতা মিস্ত্রী: নিজের অজান্তেই আপনি হারাতে পারেন আপনার কষ্টার্জিত টাকা। এ ব্যাপারে গ্রাহকদের সতর্ক করল খোদ এসবিআই। ভারতের অন্যতম বৃহত্তম এই ব্যাঙ্ক জানিয়েছে সম্পূর্ণ নতুন ভাবে ফাঁদ পাতছে হ্যাকাররা।জুশ জ্যাকিং পদ্ধতিতে এই হ্যাকিং-এর কাজ চালাচ্ছে হ্যাকাররা। পাবলিক চার্জিং-এর জায়গায় ফোন বা ল্যাপটপে চার্জ দিলে চার্জিং পিনের মাধ্যমে ম্যালওয়ার মোবাইলে ঢুকিয়ে দিচ্ছে হ্যাকাররা। আর তার মাধ্যমে আপনার মোবাইলের ভিডিও, ছবি, ইমেল সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য চলে যাচ্ছে হ্যাকারদের খপ্পরে।
কোনও গ্রাহক এটিএমে গিয়ে ডেবিট কার্ড দিয়ে ব্যালেন্স চেক করলে বা মিনি স্টেটমেন্ট নিলেও তাঁর অ্যাকাউন্ট ডিটেলস হ্যাক করা হতে পারে। এই হ্যাকিং রুখতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।জানানো হয়েছে, যখনই মিনি স্টেটমেন্ট নেওয়ার জন্য বা ব্যালেন্স চেক করার জন্য কোনও গ্রাহক এটিএমে যাবেন ও আবেদন করবেন, তখনই ব্যাংক তাঁর নথিভুক্ত নম্বরে একটি এসএমএস পাঠাবে।
অনলাইন ব্যাংকিং, ইন্টারনেটের অত্যাধিক ব্যবহার এগুলো সবই বর্তমান দিনের প্রত্যেক মানুষের রোজনামচা।ফলে হ্যাকারদের রাস্তা একদম পরিষ্কার। খুব বেশি কাঠ-খড় পোড়াতে হচ্ছে না তাদের। অনলাইন ব্যাংকিং ইন্টারনেট আমাদের সময় বাঁচাচ্ছে কঠিন কাজ সহজ করে তুলেছে ঠিকই তবে কুফল সড়ক রয়েছে হ্যাকাররা যারা এক পলকেই ফাকা করে দিচ্ছে আপনার আমার ব্যাঙ্ক একাউন্ট, বহু কষ্টের সঞ্চিত কিছু মূলধন।
এই হ্যাকারদের থেকে নিরাপদ থাকতে বিশেষজ্ঞদের মতামত- কোনও পাবলিক প্লেসের চার্জিং পয়েন্টে মোবাইল বা ল্যাপটপ চার্জ না দিতে। মোবাইলে যদি ব্যাটারি কাছাকাছি সময়ের মধ্যে ডাউন হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে বুদ্ধিমানের কাজ হবে একটি পাওয়ার ব্যাঙ্ক কিনে রাখা। ফলে প্রয়োজন পড়বে না পাবলিক চার্জিং পয়েন্টের। একান্ত যদি তা না হয়, তবে অবশ্যই নিজের চার্জার দিয়ে চার্জ দিন এক্ষেত্রে আপনি কিছুটা সুরক্ষিত হলেন।
তবে শুধুমাত্র যে SBI গ্রাহকেরা এই বিপদে ফাঁসতে পারেন, ব্যাপারটা এমন মোটেই নয়।SBI-এর তরফে সতর্ক বার্তা দেওয়া হলেও জুশ জ্যাকিং-এর খপ্পরে পড়তে পারেন অনেকেই। প্রত্যেকটি মানুষ, সে যে কোন ব্যাংকের গ্রাহক হতে পারেন নিজেরা সতর্ক থাকুন।
No comments:
Post a Comment